পরীক্ষা বাড়লেও শনাক্ত রোগী কমেছে

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩২

সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে নমুনা পরীক্ষা বাড়লেও শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগী কমেছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে দেশে আরো ২২ রোগীর মৃত্যু এবং ৬৯২ রোগী শনাক্তের তথ্য জানানো হয়। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দিনের হিসাবে গত ৯ মে-এর পর সবচেয়ে কম।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৬৯২ জনকে নিয়ে দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ২১ হাজার ৩৮২ জন হয়েছে। আরো ২২ জনের মৃত্যুতে দেশে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৭ হাজার ৭৫৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আরো ৭৮৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪ জন হয়েছে।

আগের দিন ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল করোনা ভাইরাসে, যা গত আট সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১২ হাজার ৯০৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৯২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে নমুনা পরীক্ষা ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বাড়লেও শনাক্তের সংখ্যা ১২ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মৃতের সংখ্যা ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে। আবার সুস্থতার হারও কমেছে ২৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৮৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক শূন্য ৩৯ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২২ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ ১৫ জন, নারী সাত জন। এই ২২ জনের মধ্যে ২১ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন; আর বাড়িতে মারা গেছেন এক জন। করোনা ভাইরাসে পুরুষের সংক্রমণ হার বেশি। দেশে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫ হাজার ৮৯৫ জন পুরুষ। নারী মারা গেছে ১ হাজার ৮৬১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২২ জনের মধ্যে ১৭ জনের বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে। এছাড়া তিন জনের বয়স ৫১-৬০ বছরের মধ্যে। আর দুই জনের বয়স ছিল ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে মারা গেছে ১৭ জন। বাকিদের মধ্যে দুই জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুই জন রাজশাহী ও এক জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।