স্থানে স্থানে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২১, ২১:১৯

রায়পুর-বিরামপুর সড়ক

এম আর সুমন, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

রায়পুর উপজেলার সোলাখালী ব্রিজ থেকে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর বাজার পর্যন্ত এলজিইডির আওতাধীন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক গত চার বছর ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল। সড়কের পিচ-খোয়া উঠে স্থানে স্থানে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দাসহ যানবাহনের চালকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম আলোনিয়া গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বিরামপুর বাজার সড়ক। পাঁচ কিলোমিটার সড়কটির দুই কিলোমিটার রায়পুর উপজেলা অংশে ও বাকি তিন কিলোমিটার ফরিদগঞ্জ উপজেলার অংশে পড়েছে। সড়কটি দিয়ে শতাধিক গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সিএনজি, রিকশা, অটোরিকশায় চলাচল করে থাকে। স্থানীয় শিক্ষক ফিরোজ আলম জানান, রাস্তার কারপেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়ে যাওয়ার কারণে দুইটি সিএনজি রিকশা সহজে সাইড দিতে পারে না। মাঝে-মধ্যে সাইড দিতে গিয়ে পাশের খাদে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

সিএনজি চালক আমিন হোসেন ও জোবায়ের জানান, আমরা গাড়ি করে প্রায় দিন এ সড়ক দিয়ে পাঁচটি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পাঠাই। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করে থাকে। এমনিতেই রাস্তাটি সরু। তার ওপর কারপেটিং উঠে গিয়ে গর্ত হয়ে আরো সরু হয়ে গেছে। পাশাপাশি দুইটি রিকশা সাইড দিতে সমস্যা হয়। রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ও আলোনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাছেদ বলেন, দুই ইউনিয়নের বেশির ভাগ মানুষ ব্যস্ততম সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করে থাকে। বেহাল সড়কটি মেরামতের জন্য গত চার বছর ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনো পদক্ষেপ মেলেনি। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ বলেন, সড়কটির রায়পুর অংশের উন্নয়নে বরাদ্দ চেয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি। বরাদ্দ পেলে রায়পুর অংশ সংস্কার কাজ শুরু হবে।

চাঁদপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউনুস হোসেন বিশ্বাস বলেন, ফরিদগঞ্জ-রায়পুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রায়পুর ও পশ্চিম আলোনিয়া ইউনিয়নের গ্রামের এ সড়কটি সম্পর্কে জানা  নেই। কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।