পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশকে অপার সম্ভাবনার দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে জনকূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘হুজ হু’র গুণীজন সম্মাননা সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্ন। বিশ্বে এ বিষয়টি তুলে ধরতে চাই। মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর যে ত্যাগ-তিতিক্ষা তা সবাইকে জানাতে চাই। জনকূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘জনকূটনীতি’ অনুবিভাগ চালু করেছে। দেশের ইমেজ বৃদ্ধির জন্য স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা ভূমিকা রাখবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশের বিশাল যুব সমাজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চাই। বিশেষ ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সবাইকে দেশের জন্য ও মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সম্প্রতি শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১১ জন গুণী ব্যক্তিকে ‘হুজ হু’ বাংলাদেশ, ২০২০ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন—শিল্প ও সাহিত্যে বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান, সামাজিক কর্মকাণ্ডে খন্দকার মহিউদ্দীন, কৃষিতে মো. আব্দুল বাসির বদু মিয়া, শিল্প-বাণিজ্যে আবদুল হালিম পাটোয়ারী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুল হালিম পাটোয়ারী, উদ্যোক্তায় অরচার্ড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক, নারী উদ্যোক্তায় বিবি রাসেল প্রমুখ।
