নিয়মিত পাঠ:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ২০:০০

সৈয়দ মাহবুব হাসান আমিরী

আইসিটি শিক্ষক, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

ষষ্ঠ শ্রেণি

 

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা,

পূর্বের পাঠে আমরা প্রথম অধ্যায়ের তৃতীয় পাঠ অধ্যায়ন শেষ করেছি। আজ আমরা প্রথম অধ্যায়ের চতুর্থ পাঠ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে আলোচনা করব। পাঠের শুরুতেই রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ

প্রযুক্তির অসাধারণ বিপ্লবের কথা। দিনকে দিন পৃথিবীটা পাল্টে যাচ্ছে, নিয়মিতভাবে পরিবর্তন আসছে। আমরা ইচ্ছা করলেই নতুন পরিবর্তনের সাথে নিজেদেরকে মেলাতে পারি কিংবা আমরাই পারি পৃথিবীটাকে পাল্টে দিতে, প্রযুক্তির অভিনব আবিষ্কারের মাধ্যমে। আমরাই পৃথিবীকে নিয়ে যেতে পারি এক অসাধারণ প্রযুক্তির জগতে, আমাদের চিন্তা-ভাবনা, সৃজনশীলতা কিংবা অভিনব যুগপত্ আবিষ্কারের মাধ্যমে। আমরা একটি কম্পিউটারের কথা ভাবলে প্রথমেই চোখে ভেসে আসে বিশাল একটা মনিটর সাথে একটা বক্সেও মতো সিস্টেম ইউনিট আরো  থাকতো কি-বোর্ড ও মাউস। এখন

প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাবলয়েড ও স্মর্টফোনে ও কম্পিউটার চলে এসেছে। এক সময় কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য আমরা ল্যাবরেটরি ছাড়া কোনো চিন্তাই করতে পারি নাই, বর্তমানে আমরা কম্পিউটার পকেটে নিয়েও ঘুরতে পারি। এমন একটা সময় আমরা অতিক্রান্ত করে এসেছি যে, ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে তারপরও অনেক সময় তা পাওয়া যায়নি। কিন্তু বর্তমানে ইন্টারনেট সবসময় আমাদের পকেটেই থাকে।

ব্যক্তিগত ও সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির অবদান সবচেয়ে বেশী। বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতির ফলে আমাদের সামাজিক যোগাযোগের অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগের নামে অনেক সময় নষ্ট করছে, যা অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়ে যায়। আবার অনেকে প্রযুক্তিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক বেশী নির্ভর হয়ে নিজেকে অসামাজিকও করে ফেলতে পারে। আমাদের সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। বিনোদনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি একটি নির্ভরশীলতার নাম। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিবিহীন বিনোদন কল্পনাও করা যায় না। খেলার মাঠ থেকে সিনেমা পর্যন্ত, বাসা-বাড়িতে সব জায়গাতেই বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি। তবে বর্তমানে প্রযুক্তি নির্ভর বিনোদন কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অনিয়ন্ত্রিত ও অনিয়মিত ব্যবহার। ছেলেমেয়েরা মাঠে গিয়ে না খেলে বাসায় বসে ভিডিও গেম খেলে সময় কাটায়। মাঠে খেলাধুলারপরিবর্তে দিনের অনেকটা সময় কম্পিউটার বা প্রযুক্তি যন্ত্রের সামনে সময় ব্যায় করে, তাতে করে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করছে। এসকল বিষয়সমূহ চতুর্থ পাঠে আলোচনা করা হয়েছে। তবে পাঠে আমরা কিছ ুনতুন শব্দের সাথে পরিচয় হয়েছি, সেগুলো হলো- ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাবলয়েড, স্মর্টফোন, ই-মেইল, চ্যাটিং। এখন উল্লিখিত শব্দসমূহের আলোচনা করব।