তৌ হি দ হা সা ন
‘স্বাদ ও ভালোবাসার হ্যাপি নিউ ইয়ার উইশ’ স্লোগানে নির্মিত মিস্টার নুডলসের বিজ্ঞাপন দিয়ে দুই বছর আগে পরিচিত পেয়েছিলেন তরুণ মডেল ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদ। তার আগের বছর প্যারাসুটের বিজ্ঞাপন দিয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করলেও তিনি একটু একটু করে পরিচিতি পেতে থাকেন মিস্টার নুডলসের বিজ্ঞাপন দিয়ে। এরপর ‘ডাবর হানি টি’ ও ‘নেসলে বাংলাদেশ’র বিজ্ঞাপনেও হন প্রশংসিত। বিজ্ঞাপনে নিজেকে নিয়মিত করলেও পর্দায় আলো ছড়াতে শুরু করেন দীপ্ত টেলিভিশনের দীর্ঘ ধারাবাহিক ‘মান অভিমান’র মিমি চরিত্রে। অবশ্য সেই আলোয় উজ্জ্বলতা বাড়তে শুরু করে সদ্য মুক্তি পাওয়া ওয়েব ফিল্ম ‘জানোয়ার’-এ। করোনাকালে গাজীপুরে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় থমকে গিয়েছিল পুরো দেশ। সেই সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় পরিবারের বড় মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন মুনমুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বমহলে অল্প সময়েই তুমুল প্রশংসিত হয় সিনেমাটি। সেইসঙ্গে প্রশংসায় ভাসছেন ছবিটির অভিনয়শিল্পীরা।
প্রথমবার সিনেমায় কাজ করা ও দর্শক সাড়া প্রসঙ্গে মুনমুন বলেন, ‘এই অল্প সময়ের ক্যারিয়ারে এটা আমার সেরা কাজ। অডিশনের মাধ্যমে সিলেক্ট হয়ে কাজটির সঙ্গে যুক্ত হই। সবার সাপোর্টে নিজের সেরাটা দিয়ে অভিনয় করার চেষ্টা করেছিলাম। মুক্তি পাওয়ার পর দর্শকদের অভাবনীয় সাড়া আর প্রশংসায় আমি সত্যিই মুগ্ধ। এতটাও আশা করিনি। সত্যি বলতে, প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাড়া পাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রথম সিনেমাতেই এরকম একটি সেনসিটিভ ইস্যু নিয়ে কাজ করাটা শুধু কঠিনই নয়, অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার জন্য। টিমের সবার সাপোর্টেই কাজটা করতে পেরেছি। সবার কাছেই কৃতজ্ঞ। আর যারা দেশ ও দেশের বাইরে কাজটি নিয়ে আমাকে শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবাইকে অনেক ভালোবাসা জানাই।’ আগামীর স্বপ্ন জানিয়ে এই তরুণ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় ছিলাম। সেখান থেকে আসার পর ২০১৮ সালে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফটোশুটে অংশগ্রহণ করি। এরপর বিজ্ঞাপনে ও নাটকে কাজ শুরু করি। সিনেমায় কাজ করার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু এই কাজটার পর এত সাড়া পাওয়ায় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।’
