নেইমার-এমবাপ্পের গোলে দাপুটে জয় পিএসজির

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৫৭

ঘরে মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে প্রথমার্ধে অসংখ্য সুযোগ নষ্টের মাঝে একবার জালের দেখা পাওয়া পিএসজি বিরতির পর যেন গোল উৎসবে মাতল। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে মোঁপেলিয়েকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। একটি করে গোল করেছেন নেইমার ও মাউরো ইকার্দি।

শেষ ৬ ম্যাচে জয়হীন, যার ৪ টাতেই হার। মোঁপেলিয়ের সাম্প্রতিক ফর্মই বলে দিচ্ছে তাদের সময় মোটেও ভালো যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় তারা মুখোমুখি হয় উড়তে থাকা প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের। ফলাফলটা প্রত্যাশিতই হয়েছে।

শুক্রবার রাতের ম্যাচে ৫টি হলুদ ও লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। যেখানে একটি ছিলো আবার নেইমারের। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ফাউলের কারণ দেখিয়ে নেইমারকে হলুদ কার্ড দেন রেফারি। যা সঠিক মনে হয়নি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের।

দশম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ আসে পিএসজির সামনে। ডান দিক থেকে আলেস্সান্দ্রো ফ্লোরেন্সির নিচু ক্রসে ছয় গজ বক্সে ঠিকমতো পা ছোঁয়াতে পারেননি ইকার্দি, ডাইভ দিয়ে বলের নাগাল পাননি নেইমারও।

১৯তম মিনিটে বড় এক ধাক্কা খায় মোঁপেলিয়ে। ডি-বক্সের বাইরে এমবাপেকে ফাউল করে শুরুতে হলুদ কার্ড দেখেন গোলরক্ষক জোনাস ওমলিন। পরে ভিএআরের সাহায্যে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

৩৪তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। মাঝমাঠের কাছ থেকে নেইমার বল বাড়ান  ডি মারিয়াকে। আর্জেন্টাইন তারকার পাস ডি-বক্সের সামনে খুঁজে পায় এমবাপ্পেকে। ভেতরে ঢুকে চিপ শটে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।

চার মিনিট পর নেইমারের শট ফিরিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি গোলরক্ষক। প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে পিএসজি গোলের উদ্দেশে শট নেয় ১১টি, এর দুটি ছিল লক্ষ্যে।

আরও পড়ুন: নেইমার-ইকার্দির গোলে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

৬০ থেকে ৬৩ মিনিটের মধ্যে প্রতিপক্ষের জালে তিনবার বল পাঠায় স্বাগতিকরা। প্রথমে এমবাপ্পের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। পরের দুই গোল করেন যথাক্রমে ইকার্দি ও এমবাপ্পে।

একটু পর লেইভিন কুরজাওয়ার অসাধারণ এক ওভারহেড কিকে বল ক্রসবারে লেগে ফেরায় ব্যবধান আর বাড়েনি।

এই জয়ে লিগ ওয়ানে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করল প্যারিসের দলটি। ২১ ম্যাচে ১৪ জয় ও তিন ড্রয়ে পিএসজির পয়েন্ট হলো ৪৫। এক ম্যাচ কম খেলে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে লিল দুইয়ে, ৪০ পয়েন্ট নিয়ে লিওঁ তিন নম্বরে আছে।

ইত্তেফাক/এমআর