কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কাজিয়াতলী এলাকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৩১ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ)। গত চার দিন ধরে সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন তারা। গত রবিবার দুই দফা অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো ফলপ্রসূ সমাধান হয়নি। রবিবার রাতে বিএসএফ তাদের না নিয়ে তাঁবু করে দিয়েছেন। ওই রোহিঙ্গাদের রয়েছে জম্মু-কাশ্মিরের হেলথ কার্ড ও শরণার্থী কার্ড। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের থেকে স্থানীয়দের মাধ্যমে ইউএনএইচআরসি কর্তৃক প্রদত্ত রিফিউজি কার্ড, রিফিউজি সার্টিফিকেট, জম্মু-কাশ্মির ইন্টিগ্রেডেট চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ন্যাশনাল হেলথ মিশন জম্মু এন্ড কাশ্মিরের হেলথ কার্ড সংগ্রহ করা হয়েছে। যেসব কার্ডের মেয়াদ আরো পাঁচ ছয় মাস পর্যন্ত রয়েছে। এসব কার্ডে লেখা রয়েছে জোর পূর্বক তাদের দেশ থেকে বের করা যাবে না। আশ্রয় নেওয়াদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন কার্ড ও স্থানীয় তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হচ্ছে তারা ভারতে আশ্রয় নেওয়া অন্য কোনো দেশের নাগরিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়ন কাজিয়াতলী সীমান্ত দিয়ে গত শুক্রবার রাতে ঐ ৩১ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় টহলরত বিজিবি বাধা দিলে রোহিঙ্গা সদস্যরা দুই দেশের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেয়। এ ঘটনায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি এবং গ্রামবাসী।
বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ২৫ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) গোলাম কবির গতকাল সোমবার বলেন, শূন্যরেখায় অবস্থানকারীদের হাতে ভারতীয় রিফিউজি ও রেশন কার্ড আছে। পতাকা বৈঠকে এগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিএসএফ দাবি করছেন এরা ভারতের নাগরিক না।
