শেষ বিকালে এলোমেলো দক্ষিণ আফ্রিকা

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৬

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ভালোই ব্যাট করছিলেন আইডেন মারকারাম ও রসি ভ্যান ডার ডুসেন। লিড নিয়ে বড় লক্ষ্যের স্বপ্ন দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু শেষ বিকালে ইয়াসির শাহর ঘূর্ণি জালে এলোমেলো হয়ে পড়ে সফরকারীরা। তাই দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত শুরুর পরও তৃতীয় দিনে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে কুইন্টন ডি ককের দল। দিনশেষে ২৯ রানে পিছিয়ে থাকলেও করাচী টেস্টের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতেই।

বোলিংয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার আগে ব্যাট হাতে ঝলক দেখান ইয়াসির। তার ৩৭ বলে ৩৮ রানের সুবাদে ৩৭৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। আগের দিন থেকে ৭০ রান যোগ করে তারা। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা ও কেশভ মহারাজ। এদিন হাসান আলীকে ফিরিয়ে সাদা পোশাকে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন রাবাদা।

১৫৮ রানে পিছিয়ে থেকে ভালো শুরু পায় প্রোটিয়ারা। দলীয় ৪৫ রানে ডিন এলগার ফিরলেও হাল ধরেন মারকারাম-ডুসেন। স্পিন কিংবা পেস কারো সামনেই মাথা নত করেননি তারা। তাতে মনে হচ্ছিল যেন অপরাজিত থেকে দিন শেষ করবেন দুজন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান ইয়াসির। ডুসেনকে (৬৪) ফিরিয়ে ১২৭ রানের জুটি ভাঙেন এ লেগ স্পিনার। থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে পাঠান ফাফ ডু প্লেসিসকেও (১০)। আরেক স্পিনার নমান আলীও বা বসে থাকবেন কেন। ৭৪ রান করে মারকারামকে ফিরিয়ে তিনিও যোগ দেন উইকেট পাওয়ার মিছিলে। ১৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোনোমতে কম্পমান সময়টি শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২ রান করা মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে শূন্য রানে অপরাজিত আছেন অধিনায়ক কক। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা : ২২০ ও ৭৫ ওভারে ১৮৭/৪ (মারকারাম ৭৪, ডুসেন ৬৪, মহারাজ ২*, ডি কক ০*; ইয়াসির ৫৩-৩)।

পাকিস্তান ১ম ইনিংস : ৩৭৮ (ফাওয়াদ ১০৯, হাসান ২১, নমান ২৪, ইয়াসির ৩৮*; রাবাদা ৭০-৩, এনগিডি ৫৭-২, মহারাজ ৯০-৩)।