আওয়ামী লীগ নয় বিএনপির প্রতিপক্ষ এখন পুলিশ প্রশাসন ---------------ফখরুল

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২১, ০০:২৩

নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের ‘অঙ্গ সংগঠনে’ পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির প্রতিপক্ষ এখন আর আওয়ামী লীগ নয়, প্রতিপক্ষ এখন পুলিশ প্রশাসন। প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কোনো ব্যক্তিত্ব নেই, সংবিধান অনুসারে তার এই প্রতিষ্ঠানকে চালানোর কোনো ক্ষমতাও নেই। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যা হয়েছে পত্রপত্রিকায় আপনারা তা দেখেছেন। রক্তাক্ত সংঘর্ষে দুই জন কিংবা তিন জন মারা গেছে। বিএনপির কোনো এজেন্টকে কেন্দ্রে থাকতে দেওয়া হয়নি। তাদেরকে শারীরিক অত্যাচার করে বের করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা ও কিশোরগঞ্জ আংশিক নিয়ে গঠিত নীলফামারী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নীলফামারী জেলা জাপার আহ্বায়ক বিরোধীদলীয় সাবেক হুইপ শওকত চৌধুরী বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। যোগদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, সৈয়দপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গফুর সরকার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ ও রংপুর জেলা বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, সৈয়দপুর বিএনপির সদস্যসচিব শাহীন আখতার প্রমুখ।

নির্বাচনে কেন বিএনপি অংশ নেয় এ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, নির্বাচনকে আমরা গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একটা অংশ হিসেবে দেখি। এর মাধ্যমে আমাদের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করতে পারি। আবার এর মাধ্যমে আমরা জনগণের কাছে যেতে পারি। যেটা অন্যসময় যাওয়া খুব কঠিন। কারণ মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ কিছুই করতে দেয় না সরকার। যেটাকে আমরা বলি ডেমোক্রেটিক স্পেস। আর সেই ডেমোক্রেটিক স্পেসকে তারা নিয়ে নিয়েছে। এ কারণেই আমরা নির্বাচনে যাই। আমরা দাবি করছি এই নির্বাচন কমিশনারকে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা দরকার। এছাড়া বিনা ভোটে একটা বেআইনি সরকার বসে আছে। সুতরাং এই সরকারকে পদত্যাগ করে একটা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।