ভাইকে বিদেশ পাঠানোর জন্য শ্বশুরের থেকে ৬ লাখ টাকা যৌতুক চেয়েছিলেন আরিফ হোসেন (২২)। অসহায় শ্বশুর জামাইকে যৌতুকের সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্ত্রী মিতু খাতুনকে (১৯) অচেতন করে মুখ দাহ্য পদার্থ দিয়ে ঝলসে দিয়েছেন আরিফ হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার ঈশ্বরদী শহরের বাবুপাড়ায়। হাসপাতালে মেয়ের চিকিত্সা শেষে জামাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন শ্বশুর মজিবর রহমান। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার অভিযুক্ত আরিফ হোসেনকে গ্রেফতার করে পাবনা জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, দুই মাস সাত দিন আগে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আড়মবাড়িয়া এলাকার মিতু খাতুনের সঙ্গে শহরের বাবুপাড়া এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে আরিফের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আরিফ স্ত্রী মিতুর মাধ্যমে যৌতুক দাবি করে নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। ছোট ভাই আলমগীরকে বিদেশে পাঠানোর জন্য স্ত্রীর মাধ্যমে শ্বশুরের নিকট ৬ লাখ টাকা দাবি করেন আরিফ। টাকা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত মাসের ২৫ জানুয়ারি খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রীকে খাওয়ায় সে। মিতু অচেতন হয়ে পড়লে তার মাথার চুল ও চোখের ভ্রু কেটে মুখে দাহ্যপদার্থ মাখিয়ে দেন আরিফ।
মিতু খাতুন জানান, প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি তার স্বামী আরিফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
