নিয়মিত পাঠ
সৈয়দ মাহবুব হাসান আমিরী
আইসিটি শিক্ষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা,
পূর্বের পাঠে আমরা প্রথম অধ্যায়ের চতুর্থ পাঠ অধ্যায়ন শেষ করেছি। আজ আমরা প্রথম অধ্যায়ের পঞ্চমপাঠ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে দ্বিতীয় অংশ নিয়ে আলোচনা করব। পাঠের শুরুতেই রয়েছে কিছু ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার। যেমন, শিক্ষা, চিকিত্সা, বিজ্ঞান এবং গবেষণা, কৃষি, পরিবেশ আর আবহাওয়া। প্রথমে শিক্ষা ক্ষেত্রে কীভাবে চমকপ্রদভাবে সরাসরি শিক্ষকের নিকট থেকে বক্তৃতা না শুনেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে তুমি তোমার পড়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে, তার বর্ণনা। এখানে কেবল ইবুকের কথাই স্পষ্ট করে বলা রয়েছে। পরের অনুচ্ছেদে রয়েছে চিকিত্সা। চিকিত্সায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিত্সা সেবা ও রোগ ও রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা এ সবকিছুই কেবল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমেই করা হয়ে থাকে। এর পরে রয়েছে বিজ্ঞান ও গবেষণা। বিজ্ঞান ও গবেষণায় তথ্য প্রযুক্তি ছাড়া চিন্তাই করা যায় না। আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জিনোম আবিষ্কার করেছেন, তাতে তথ্য প্রযুক্তিরও অনেক ভূমিকা রয়েছে। এবারে রয়েছে কৃষি। আমাদের দেশের কৃষিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির মাধমে সরকার ও কৃষিবিদগণ সরাসরি সাধারণ মানুষকে সচেতন করছেন ও নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন। সর্বশেষ রয়েছে পরিবেশ আর আবহাওয়া। আমরা ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়ের কথা শুনেছি, তখকার যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি উন্নততর হতো তাহলে হয়তো জান-মালের অনেক কম ক্ষতি হতো। এখনকার মতো হলে এতো বেশী ক্ষতি হতো না। এসকল বিষয়সমূহ পঞ্চম পাঠে আলোচনা করা হয়েছে। তবে পাঠে আমরা কিছু নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হব, সেগুলো হলো-ই-বুক, টেলিমেডিসিন, জিনোম, গবেষণা। পরের অংশ আগামীকাল
