বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) Business Promotion Council (BPC)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি সভাটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় আইসিটি বিজনেস প্রোমোশন কাউন্সিল-এর প্রাক্তন সহ-সভাপতি হিসেবে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর তিনটি নির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন।
সৈয়দ আলমাস কবীর প্রস্তাবনা তুলে ধরে বলেন, যেহেতু সকল সেক্টর বা ইন্ডাস্ট্রিতে আইসিটি-র ব্যবহার অপরিহার্য এবং সরকার ঘোষিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ তৈরিতে সকলকেই সম্পৃক্ত হতে হবে, সেহেতু সকল সেক্টর বা ইন্ডাস্ট্রি প্রোমোশনের জন্য কাউন্সিলে ডিজিটালাইজেশনের জন্য আলাদা বাজেট রাখা প্রয়োজন। এতে ডিজিটালাইজেশন উত্সাহিত হবে এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে।
দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বলেন, তৈরি-পোশাক শিল্পের উপর থেকে নির্ভরতা কমাতে এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন করা জরুরি; এবং এক্ষেত্রে আইসিটি শিল্পই আদর্শ বিকল্প হতে পারে। আমাদের দেশে জমির অভাব রয়েছে যা কিনা আইসিটি শিল্পে কোন প্রভাব ফেলে না। এ শিল্পে ছোট একটা ঘরে বসেও মিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। তাই আইসিটি এক্সপোর্ট উত্সাহিত করতে ক্যাশ ইনসেন্টিভের হার বৃদ্ধি করে ২০% করলে আরও অনেকে এ ব্যবসায়ে যুক্ত হবে। যেহেতু ২০২৫ নাগাদ ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তাই অন্তত: ২০২৫ পর্যন্ত এই প্রণোদনা ঘোষণা করলে বড় সুফল পাওয়া যেতে পারে।
সর্বশেষ আইসিটি বিজনেস প্রোমোশন কাউন্সিল-এর বার্ষিক বাজেট ১ কোটি টাকারও নীচে। যা খুবই নগণ্য। এটি আবার পাঁচটি এসোসিয়েশনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়! তাই, এই বাজেট উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করতেই হবে; না হলে এটি শুধুমাত্র ‘বুড়ি ছোঁয়ার’ মতই রয়ে যাবে-বলে তৃতীয় প্রস্তাবনায় উল্লেখ করেন সৈয়দ আলমাস কবীর।
সভায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস)-এর সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর ও বিসিএস-এর যুগ্ম সম্পাদক মুজাহিদ আল-বেরুনি সুজনসহ অন্যান্য সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।
