জিবুর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৪২

>> মো. রাকিবুল হাসান

 

শিক্ষাজীবনে চলাকালীন অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মূলত ভাবেন বড় হয়ে কেউ চাকরি কিংবা ব্যবসা করবেন। অনেকেই আবার বিভিন্ন পেশাকে নিজের লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে সামনের দিকে এগুতে থাকেন। কিন্তু তাদের মধ্যে থাকেন ব্যতিক্রম চেতনার কিছু মানুষ। যারা সব সময়ই চিন্তা করেন একটু অন্য কিছু করার। তেমনই সফল একজন উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস জিবু। পড়াশোনা করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্পন্ন করেছেন স্নাতক।

বাবা-মা আর তিন ভাই-বোনের সংসার জিবুদের। বাবা চাকরি করতেন সামরিক বাহিনীতে। পরিবারে সবাই চাকরিজীবী হওয়ায় পরিবারকে কোনো টাকা পাঠাতে হয়নি জিবুর। ছাত্রজীবন থেকেই নানামুখী ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন জিবু। নীলফামারীতে ৮ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফল, কফি, শরিফা ও রঙিন মাছের চাষাবাদ শুরু করেন। বর্তমানে সেখানে কফি গাছ আছে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে  পড়ার সময় মোটরসাইকেল কেনার জন্য বাড়ি থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকাও নেন। কিন্তু সেই টাকায় তিনি মোটরসাইকেল না কিনে পাঁচটি রিকশা কিনেন। বর্তমানে তার ৮টি রিক্সা রয়েছে।

স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে স্নাতকোত্তর বা কোর্টে কিংবা চাকরির জন্য ছুটতে পারতেন তিনি। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে নেমেছেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়। নাম দিয়েছেন ‘ওশান ব্লু’। তিনি বলেন, ‘রেস্টুরেন্ট আমার শখের জায়গা। ১৪ জানুয়ারি এই রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু হয়। ইতিমধ্যেই এখানে ৫ জনের কর্মসংস্থান করেছি। যুবকদের সঙ্গে কাজ করতে আমার ভালো লাগে। আব্বু কোনো সাপোর্ট করেননি। একটি টাকাও না! ছোট মামা, খালু ও আম্মুর সহযোগিতায় শুরু করেছি।’