নতুন শুরুর প্রত্যাশায় মুমিনুল

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:০৪

স্পোর্টস রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে মুমিনুল হকের যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের শেষ দিকে ভারত সফরে। এরপর সময়টা তেমন ভালো কাটেনি তার। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একমাত্র টেস্টে জয়ের মুখ দেখলেও তার আগে ভারত ও পাকিস্তানের মাঠে তিনটি টেস্টেই হেরেছিল বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শুরুটা সুখকর হয়নি। এরপর বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে প্রায় এক বছরের বিরতি দিয়ে এবার নিজের মাঠে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ কি পারবে ওয়ানডে সিরিজের মতো টেস্ট সিরিজেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ঘুরে দাঁড়াতে? 

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্ট সামনে রেখে গতকাল মুমিনুল জানালেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো কোনো যাদুমন্ত্র তার জানা নেই। আগে যা হয়েছে সেটাও মনে রাখার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন না তিনি।

সাগরিকায় এই মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে হেরেছে বাংলাদেশ। সেটাও ভুলে যেতে চান অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘করোনার পর আবার সবকিছু নতুন করে শুরু হচ্ছে। আমরাও নতুন করে শুরু করার চেষ্টা করব। এক বছর পর বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে ফিরছি। কিছুটা চ্যালেঞ্জ তো থাকছেই। তবে আমাদের জন্য নতুন করে একটা সুযোগ এসেছে টেস্ট ক্রিকেটে নতুনভাবে শুরু করার। একে সুযোগ হিসেবেই দেখছি।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে বাংলাদেশকে ফেবারিট মানছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে মুমিনুল বলেন, ‘ঘরের মাঠে স্বাগতিকরাই ফেবারিট থাকে। তবে তার মানে এই না যে, আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুর্বল প্রতিপক্ষ বলে ভাবছি। আমরা আমাদের নিয়ে ফোকাস করছি বেশি। আমরা সেরা খেলাটাই খেলার চেষ্টা করব।’

ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যে দলটি খেলেছে সেই তুলনায় তাদের টেস্ট কম্বিনেশন বেশি শক্তিশালী কি না, জানতে চাইলে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘যে কোনো দলের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সবসময় চ্যালেঞ্জিং। এখানে চাপ যেমন থাকে তেমনি প্রত্যাশাও থাকে। আমি একে সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ দুই ভাবেই দেখি। কোন টিম ভালো আর কোনটা খারাপ আমি সেভাবে চিন্তা করি না।’

সাকিব আল হাসানের প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে টাইগার টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘সাকিব আসলে এমন একজন ক্রিকেটার যাকে ‘একের মধ্যে দুই’ বলা যায়। তিনি থাকলে দলের কম্বিনেশনটা খুব ভালো হয়। দল সুন্দরভাবে সাজানো যায়। অধিনায়কের মধ্যেও স্বস্তি থাকে। বিশেষ করে নবীন অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের অন্তর্ভুক্তিকে আমি ভালো একটা সুযোগ হিসেবেই দেখছি।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই ম্যাচে বাংলাদেশ পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করবে, এমন আশাই করছেন টাইগার অধিনায়ক।