২০২০ সালের মার্চ মাসে টুটবারি স্টাফোর্ডশায়ারে নিজের বাড়ির কাছেই গাড়ির ধাক্কায় আহত হন জোসেফ। মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেই চলে যান কোমায়। কোমায় থাকার কারণে করোনা নিয়ে কোনো ধারণা নেই এই তরুণের।
দুর্ঘটনার পর প্রথমে এই তরুণকে নিয়ে যাওয়া হয় লেসেসটার জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে ছয় মাস কোমায় ছিলেন জোসেফ। তার পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় অ্যাডেরলি গ্রিন হাসপাতালে। ইংল্যান্ডের স্ট্রোক অন ট্রেন্ট শহরে অবস্থিত অ্যাডেরলি গ্রিন একটি নিউরোলজিকাল রিহ্যাব।
হাসপাতালে থাকার সময়ে যদিও দু’বার করোনায় আক্রান্ত হন জোসেফ। প্রথমবার তিনি ভাইরাস আক্রান্ত হন কোমায় থাকার সময়ে। আর দ্বিতীয়বার কোমা থেকে বেরিয়ে এসেও করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। তবে দু'বারেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ জয় করেন এই তরুণ। জোসেফ যে কোমায় ছিলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে বলা হয় স্টেজ টু কোমা। এই কোমা থেকে ফিরে আসার অর্থ হল হাসপাতালে আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত যা যা ঘটেছে, সেই বিষয়ে তিনি অবহিত নন। অর্থাৎ গত বছর যা যা ঘটেছে এবং মহামারীর বিশেষ খবর, কোনোটাই জোসেফ জানেন না।
আহত হওয়ার আগে গোল্ড ডিউক অফ এডিনবরা পুরষ্কার পেয়েছেন এই তরুণ। জোসেফের বন্ধুরাও অর্থ সাহায্য করেছেন তাঁর চিকিৎসায়।
ইত্তেফাক/এএইচপি
