গত ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফরে একটি সেঞ্চুরি, একটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। ব্যাট হাতে আগের চেয়ে বেশি ধারাবাহিক, পরিণত হয়েছেন বলেই দাবি করেছেন জার্মেইন ব্ল্যাকউড। বিরাট কোহলির কথায় শানিত ব্ল্যাকউড গতকাল চট্টগ্রামে নিজের পরিণত ব্যাটিংয়ের রূপটা তুলে ধরেছেন। ১৪১ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি।
সকালে লাঞ্চের আগে তিন উইকেট হারিয়ে বসা দলের হাল ধরেছেন ব্ল্যাকউড । জশুয়া ডি সিলভাকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৯৯ রানের জুটি গড়েছেন তিনি। তাতেই প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরটা ২৫০ ছাড়িয়েছে। তারপরও ১৪তম হাফ সেঞ্চুরিটাকে বড় রূপ দিতে না পারায় হতাশ ব্ল্যাকউড। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান গতকাল দিনের খেলা শেষে বলেছেন, নিজের আউটের ধরনে খুশি নন তিনি।
গতকাল চা বিরতির আগে মিরাজের বলটা লেগ স্ট্যাম্প দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছিল। নিরীহ সেই লেন্থ বলে ব্যাট চালিয়ে দেন ব্ল্যাকউড। উইকেটের পেছনে ক্যাচ নেন লিটন। তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির স্বপ্ন সেখানেই ইতি ঘটে।
গতকাল ব্ল্যাকউড বলেছেন, ‘এটা খুবই হতাশাজনক। আমি সত্যিই চাইছিলাম আমার এসব হাফ সেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে। আমি সঠিক পথেই পা রাখছিলাম। কিন্তু আমি খুবই হতাশ যেভাবে আউট হয়েছি। পরের ইনিংসের নিজের মাথা নিচু রাখতে হবে এবং একই ধরনের ব্যাট করতে হবে।’
ব্ল্যাকউডের আউটের পরই দ্রুত অলআউট হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কর্নওয়াল রিভিউ নিতে বলেছিলেন, কিন্তু ২৯ বছর বয়সি এ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান জানতেন বল তার ব্যাটে লেগেই লিটনের গ্লাভসে জমা পড়েছে।
বাংলাদেশের মাটিতে প্রচুর স্পিন খেলতে হবে তা জানাই ছিল ব্ল্যাকউডের। গতকাল মিরাজ-তাইজুলদের বিপক্ষে বেশ স্বাবলীল ছিলেন তিনি। তার মতে, সোজা ব্যাটে খেলা এবং যত সম্ভব দেরিতে খেলাই স্পিনের বিপরীতে সফল হওয়ার মন্ত্র।
তৃতীয় দিন শেষে ২১৮ রানে পিছিয়ে আছে উইন্ডিজরা। সেশন বাই সেশন নীতিতে এগিয়ে যেতে চায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্ল্যাকউড বলেছেন, ‘আমাদের ঘণ্টা ধরে, সেশন ধরে এগিয়ে যেতে হবে। যদি জয়ের সুযোগ আসে তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবেই তার দিকে এগিয়ে যাব।
