পল্টনে ‘চাঁদাবাজি’ করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:৩২

রাজধানীর পুরানা পল্টনে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে পুলিশের কাছে আটক হয়েছেন পল্টন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ নাজমুল হোসাইন মিরন। তাকে ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই ঘটনার পর পুলিশ আরও ১৬ জনকে আটক করে থানায় নিয়েছে। তাদের বেশির ভাগই পল্টন থানা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতাকর্মী।

পুলিশ জানায়, গতকাল সন্ধ্যার পর মিরনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ পুরানা পল্টনে আজাদ সেন্টারে বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি করতে যায়। তারা তুহিন নামের এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে। এ নিয়ে তুহিনের লোকজনের সঙ্গে মিরনের কর্মীদের মারামারি হয়। ওই সময় আশপাশের লোকজন পুলিশকে খবর দিলে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিরনকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে ছাত্রলীগের আরও কর্মীরা গিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে মিরনকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পল্টন থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, পল্টনের ওই ঘটনার পর মিরন ও তুহিন গ্রুপের ১৭ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িত শনাক্ত করতে যাচাই বাচাই করা হচ্ছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, মিরন এক ব্যক্তির হয়ে তুহিনের কাছে পাওনা টাকা চাইতে যায়। এ নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়।

ওদিকে, তুহিন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে, মিরনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিল।

পুলিশের মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শিবলী নোমান জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে মিরনের কর্মীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়।  এতে তিনজন আহত হয়। ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে বাধা এবং মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।