দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষগুলো খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু করোনার কারণে খেলাধুলায় দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। এখন দেশে করোনার টিকা আসায় স্বস্তি এসেছে। খেলাধুলার মানুষগুলো টিকা গ্রহণ করবেন এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী মোঃ সালাহ্উদ্দিন।
তিনি নিজে সোমবার টিকা গ্রহণ করেছেন। রাজধানীর মুগদা পাড়ায় মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকা গ্রহণ করেন। টিকা গ্রহণ করে অন্যদের টিকা গ্রহণের কথা বলেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তিনিই প্রথম টিকা নিয়েছেন। ফুটবলের সাবেক এই তারকা টিকা নিয়ে জানিয়েছেন ফুটবলের অন্যান্যদের জন্য টিকা চেয়েছেন সরকারের কাছে। টিক গ্রহণ করে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাফুফে সভাপতি।
বাফুফে সভাপতি বলেন,‘আমরা সরকারের কাছে কয়েক হাজার টিকা চেয়েছি।’ বাফুফে টিকা পেলে বাফুফের কর্মকর্তা জাতীয় পুরুষ ও নারী দলের ফুটবলার, ক্লাব ফুটবলার, সংগঠক সহ ফুটবল সংশ্লিষ্টদের টিকা দেয়া হবে। বাফুফে টিকা নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখছে। কি পরিমাণ পাওয়া যাবে সেটা নিশ্চিত না, তবে পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেবে বাফুফে।
টিকা গ্রহণ করে কেমন লাগছে এমন প্রশ্নে সালাহ্উদ্দিন বলেন,‘টিকা নিয়েই তো আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি। কেমন লাগছে সেটা এখনই কি করে বলব। খারাপ লাগছে না।’ টিকা নেয়ার প্রক্রিয়াটি আরো সহজ করার আহবান জানিয়েছেন এই সাবেক স্ট্রাইকার।
সালাউদ্দিনের মতে, ‘ টিকা গ্রহণের সিস্টেমটা আরো সহজ হওয়া উচিত। সবাই এসে যেন টিকা গ্রহণ করতে পারে। এটা এভেইলেভল হলে ১০ দিনের মধ্যে টিকা দেয়ার কাজ অনেক দুর এগিয়ে যাবে।’ দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো টিকা দিচ্ছে সরকার। অ্যাপসের মাধ্যমে নাম নিবন্ধন করে ৫৫ বছর বয়সের মানুষদের টিকা দিচ্ছে। ধাপে ধাপে বিভিন্ন বয়সের মানুষদের টিকা দেবে সরকার। সালাহ্উদ্দিন দুপুরে সাদা রংয়ের মার্সিডিজে চড়ে হাসপাতালে যান। যেখানে আগে থেকেই সংবাদ মাধ্যম ভিড় জমায়। সঙ্গে গিয়েছিলেন সালাহ্উদ্দিনের স্ত্রী ইমা সালাহ্উদ্দিন, এক কন্যা এবং পুত্র। নিয়ম অনুযায়ী দুই সন্তান টিকা নিতে পারেননি। সালাহউদ্দিন বলেন, ‘সিষ্টেমটা সহজ না হওয়ায় ছেলে মেয়ে টিকা নিতে পারেনি।’
ইত্তেফাক/এসআই
