জোটে যদি মোটে একটি পয়সা/ খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি’/ দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার/ ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী! ছন্দের যাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ফুলে প্রতি অনুরাগীদের যে আহ্বান তাতে সাড়া দিয়ে শনিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামারবাড়ি চত্বরে শুরু হয়েছে পুষ্পমেলা। মেলা উদ্বোধন করেন পাবনা সদর আসনের সাংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্স। এই মেলাটি চলবে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া রাত ৯টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
উদ্বোধনের পর ফুলমেলা দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সরকারি ও বেসরকারি ২০টি স্টলে দেখা মিলছে নানা জাতের ফুলের।শুরুতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি কম থাকলেও তা বেড়েছে বুধবার থেকে। মেলায় আসছেন নানা বয়সের ফুল প্রেমী, রয়েছে বাহারি ফুলের সমাহার।
মেলাম দর্শনার্থীরা জানান, ফুলমেলার আয়োজন শহরের যান্ত্রিকতার মাঝে নি:সন্দেহে ভালো উদ্যোগ। তবে পরিসর অনেকটা ছোট। নেই চোখের পড়ার মতো প্রচারণা।
পাবনা জেলা নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি আনিসুর রহমান জানান, ‘স্থান সংকুলান না হওয়ায় বড় পরিসরে মেলার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
আরো পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ রুখতে বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আনুন: অমিত শাহ
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আজাহার আলী জানান, ‘অন্য ফসলের চাইতে ফুল চাষ দ্বিগুণ লাভজনক হওয়ায় জেলার কৃষকদের মাঝে ফুলচাষের আগ্রহ বাড়ছে। গত বছর ফুলের চারা থেকেই নার্সারি মালিকেরা আড়াই কোটি টাকার মতো আয় করেছেন। এই পুষ্পমেলা থেকে গত বছর ১৫ লাখ টাকার ফুলগাছ বিক্রি হয়েছিল বলে তিনি জানান’।
পাবনা জেলার মাটি ও আবহাওয়া ফুলচাষের উপযোগী হওয়ায় ১৬-১৭ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। যা থেকে উৎপাদিত ফুলের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা।
ইত্তেফাক/অনি
