শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশ

ঢাবির সাত শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার তিন শিক্ষককে শাস্তি

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:২৪

ডিজিটাল ভর্তি জালিয়াতি ও অবৈধভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার ও পরীক্ষার খাতায় অসংগতিপূর্ণ নম্বর দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তিন শিক্ষককে শাস্তির সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা বোর্ড। এছাড়া আরো দুই জনকে ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের (ডিবি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শৃঙ্খলা বোর্ডের বৈঠকে ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে ৯ জনকে বহিষ্কার করা হয়। তার মধ্যে সাত জনকে স্থায়ী ও দুই জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার অধীনস্থ কলেজগুলোর বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ১৪৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—ফজলুল হক মুসলিম হলের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাকসুদুর রহমান, কবি জসীমউদ্দীন হলের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিজন আহমেদ, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার তামান্না, কবি জসীমউদ্দীন হলের ফিন্যান্স বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ মেহেদী হাসান, স্যার এ এফ রহমান হলের ইতিহাস বিভাগের ২০১৫-২০১৬  শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুহাইমিনুল ইসলাম, শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের দর্শন বিভাগের ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম, অমর একুশে হলের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের  ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাহেদ আহমেদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী। এর আগে ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৭৮ জনকে বহিষ্কার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৮৫ জনকে বহিষ্কার করা হলো।

এদিকে পরীক্ষার খাতায় অসংগতিপূর্ণ নম্বর দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শাস্তি পাওয়া তিন শিক্ষক হলেন অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. গোলাম আজম ও সহকারী অধ্যাপক মাইনউদ্দীন মোল্লা। আগামী তিন বছর পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজ থেকে তাদের অব্যাহতি দিয়েছে শৃঙ্খলা পরিষদ।