চতুর্থ ধাপের পৌর নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাসীন দল ‘গুন্ডামি’ করছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশও বিনা কারণে মামলা দিচ্ছে এবং পাইকারি হারে গ্রেফতার করছে। ঠাকুরগাঁও, ময়মনসিংহের ফুলপুর, নরসিংদী, সাতক্ষীরা, যশোরসহ বিভিন্ন পৌরসভায় বিএনপি দলীয় প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা, নেতাকর্মীদের অবরোধ করে রাখা, ভোটারদের ভয় প্রদর্শন, বিরোধী প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, পরিকল্পিতভাবে বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে হয়রানি, গ্রেফতারের নানা ঘটনা তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, নির্বাচনে ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় ঠেকাতে সরকারি দল এই ধরনের অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের ইচ্ছাপূরণে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। অনিয়ম, আর্থিক কেলেঙ্কারী এবং নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত এই নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এর পরেও তাদের কেউ টলাতে পারে না। কারণ শেখ হাসিনাকে খুশি করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
গতকাল শুক্রবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মামুন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ড্যাবের জাহিদুল কবীর, মহানগর দক্ষিণের কাজী আবুল বাশার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
