দলকে বিপদে ফেলে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেন মুশফিকুর রহিম। ব্যক্তিগত ৫৪ রানে রাকিম কর্নওয়ালের বলে মায়ার্সের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তার আউটের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৬২ রান।
লিটন দাস ১৩ ও মেহেদি হাসান মিরাজ ৫ রানে অপরাজিত আছেন। ফলোঅন এড়াতে এখনো ৪৮ রান প্রয়োজন। এর আগে রাকিম কর্নওয়ালের বলে ১৫ রান করে আউট হন মোহম্মদ মিথুন।
দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের টপঅর্ডার ব্যাটম্যানরা। দ্বিতীয় দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের থেকে ৩০৪ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৪০৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই গ্যাব্রিয়েলের শিকারে পরিণত হন ওপেনার সৌম্য সরকার।চার বল খেলে রানের খাতা না খুলে মিড উইকেটে কাইল মায়ার্সকে ক্যাচ দেন সৌম্য। গ্যাব্রিয়েল তার দ্বিতীয় ওভারে শিকার করেন শান্তকে। ২ বল খেলে ৪ রান করে গালিতে এনক্রুমাহ বোনারের ক্যাচ হন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। ১১ রানে স্বাগতিকরা হারায় ২ উইকেট।
এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তামিম ইকবালের সঙ্গে পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়েন তিনি। কিন্তু ৩৯ বলে ২১ রান করে রাকিম কর্নওয়ালের বলে ডা সিলভার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েও প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তামিম ইকবাল। দলীয় ৪১ রানে ব্যক্তিগত ৪৪ রান করে ফিরে যান ওপেনার তামিম ইকবাল। আলহারি জোসেফের বলে শেইন মোসলের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তামিম। মুশফিকুর রহিম ও মোহম্মদ মিথুন কোনো মতে দিন পার করে দেন।
ইত্তেফাক/ইউবি/এমআর
