চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে যমুনা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের দুটি ভাসমান তেল ডিপো দীর্ঘদিন ধরে তেলশূন্য থাকায় এলাকায় তেলের চরম সংকট সৃষ্টি হয়ে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো আবাদে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাঘাবাড়ী ও পার্বতীপুর ডিপো থেকে তেল নিয়ে আসায় পরিবহন খরচ বেশি পড়ে যাওয়ায় কৃষকদের চড়া দামে তেল কিনতে হচ্ছে। চিলমারী ডিপো থেকে ব্যবসায়ীরা তেল কিনে প্রতি লিটার ৬২.৫১ টাকা দরে বিক্রি করে। কিন্তু চিলমারীর বাইরে থেকে তেল সংগ্রহ করায় প্রতি লিটার তেল ৬৭.৬৫ টাকা দরে পাম্পে এবং বিভিন্ন দোকানে ৭০-৭২ টাকা দরে বিক্রি করছেন। মেঘনা পেট্রোলিয়াম কো. লিমিটেডের একটি বার্জ ২ লাখ ২৭ হাজার লিটার তেল নিয়ে চিলমারী ডিপোর উদ্দেশে রওনা করলে নাব্য সংকটের কারণে গত ২৫ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ থেকে ফেরত চলে যায়। আবারও মেঘনা পেট্রোলিয়াম ডিপোর একটি তেলবাহী জাহাজ চিলমারী ডিপোর উদ্দেশে রওনা করলে নাব্য সংকটের কারণে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ীর আনন্দবাজার এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে আটকা রয়েছে।
এ ব্যাপারে মেঘনা ডিপোর চিলমারী সুপারভাইজার আইয়ুব আলী জানান, নাব্য সংকটের কারণে চার দিন ধরে তেলভর্তি জাহাজটি মধ্য নদীতে আটকে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। নদী ড্রেজিং করে জাহাজটি চিলমারী পয়েন্টে আনতে বিআইডব্লিউটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
