গত অক্টোবরে সায়েদাবাদ থেকে দক্ষিণ বঙ্গে চলাচলকারী টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস, দোলা পরিবহন, বলেশ্বর ও ফাল্গুনী পরিবহনসহ আরো কিছু গাড়ি কোনো কারণ ছাড়াই যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৫০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ আর কোনো রুটেই ভাড়া বাড়েনি, বাড়ার কোনো কারণও নেই। এই রুটের বাসগুলো শুরু থেকেই যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে ডাকাতি করে আসছে। গাবতলী থেকে খুলনায় চলাচলকারী বাসগুলো ভাড়া নেয় ৫৫০ টাকা। এই পথে খুলনার দূরত্ব ৩৩৫ কিলোমিটার আর সায়েদাবাদ থেকে মাওয়া হয়ে খুলনার দূরত্ব ১৮০ কিলোমিটার। উভয় পথে সমপরিমাণ ফেরি ভাড়া এবং সেতু টোল দিতে হয়—সেই হিসাবে মাওয়া হয়ে খুলনা-ঢাকা পথে চলাচলকারী বাসে ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা হতে পারে, সেখানে এতোদিন নেওয়া হচ্ছিল ৪০০ টাকা আর বর্তমানে ৪৫০ টাকা। এখানেই শেষ নয়। ঢাকা থেকে খুলনা বা বাগেরহাট গেলেও ৪৫০ টাকা, মোল্লাহাট বা ফকিরহাট গেলেও ৪৫০ টাকা। অথচ মোল্লাহাট ৫২ কিলোমিটার এবং ফকিরহাট ৩০ কিলোমিটারের কম। এমন নয় যে ফকিরহাটে কোনো কাউন্টার নেই। ফকিরহাটে প্রতিটি পরিবহনের কাউন্টার আছে এবং বেশকিছু পরিবহন ফকিরহাটের ভাড়া খুলনার তুলনায় কম নিয়ে থাকে। অতএব, অক্টোবর থেকে বর্ধিত ভাড়া কমানো এবং দূরত্ব অনুযায়ী ফকিরহাটের ভাড়া আদায়ের জন্যে বিআরটিএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. রশিদ আনসারী
রেলওয়ে কলোনি, মতিঝিল, ঢাকা
