বেশিরভাগ পৌরসভায় জয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৪৬

চতুর্থধাপের পৌরসভার ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। এর আগে বিগত তিনধাপের ভোটেও অধিকাংশ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হন। গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে ৫৫টি পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৯টিতে ইভিএমে এবং ২৬টি পৌরসভায় ব্যালটে ভোট হয়। বেশকিছু পৌরসভায় সংঘর্ষ-সহিংসতার ঘটনাও ঘটে। চট্টগ্রামের পটিয়ায় একজনের প্রানহানিও ঘটে। বিগত তিনধাপের সহিংসতা ঠেকাতে এই ধাপের আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ     করা হলেও তেমন পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

এর আগে তিনধাপে আওয়ামী লীগের ৬৯ জন, বিএনপির ৯ জন ও স্বতন্ত্র ২৫ জন প্রার্থী মেয়র পদে জয় পান। তৃতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৪৬ জন, বিএনপির তিনজন ও স্বতন্ত্র ১৪ জন বিজয়ী হন। দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগের ৪৫ জন, বিএনপির চারজন, জাতীয় পাটির্র একজন, জাসদের একজন ও আটজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র পদে বিজয়ী হন। প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীদের মধ্যে ১৮ জন, বিএনপির ধানের শীষের দুই জন এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র পদে বিজয়ী হন। গত ১৮ ডিসেম্বরের প্রথম ধাপে ৬৫%, দ্বিতীয় ধাপে ১৬ জানুয়ারির ৬২% এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ জানুয়ারি ৭০.৪২% ভোট পড়ে।

আমাদের জেলা প্রতিনিধি ও উপজেলাপ সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্যানুযায়ী, চাঁদপুরের কচুয়ায় নাজমুল আলম স্বপন (আওয়ামী লীগ), ফরিদগঞ্জে আবুল খায়ের পাটোয়ারি (আওয়ামী লীগ), চুয়াডাংগার জীবননগরে রফিকুল ইসলাম রফিক (আওয়ামী লীগ), আলমডাঙ্গায় হাসান কাদির গনু (আওয়ামী লীগ), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সৈয়দ মনিরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) , টাঙ্গাইলের গোপালপুরে রকিবুল হক ছানা (আওয়ামী লীগ), কালিহাতিতে নুরুন্নবী সরকার (আওয়ামী লীগ), বরিশালের বানারীপাড়া শুভাষ চন্দ্র শীল (আওয়ামী লীগ), মুলাদীতে শফিক উজ্জামান রুবেল (আওয়ামী লীগ), নেত্রকোনা পৌরসভায় আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খান (আওয়ামী লীগ), কুমিল্লার হোমনায় এডভোকেট নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), লক্ষ্নীপুরের রামগতি এম মেজবাহউদ্দীন মেজু (আওয়ামী লীগ), রাজশাহীর গোদাগাড়ি মনিরুল ইসলাম বাবু (আওয়ামী লীগ-বিদ্রোহী), বাঘমারায় তাহেরপুরে অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ), নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে ভিপি নুরুল হক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), চাটখিলে ভিপি নিজামউদ্দীন (আওয়ামী লীগ), লালমনিরহাট রেজাউল করীম স্বপন (স্বতন্ত্র), পাটগ্রামে রাশেদুজ্জামান সুইট (আওয়ামী লীগ), নরসিংদীর মাদবদীতে মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক (আওয়ামী লীগ), কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর আনোয়ার হোসেন আশরাফ (আওয়ামী লীগ), হোসেনপুরে আব্দুল কাইয়ুম খোকন (আওয়ামী লীগ), করিমগঞ্জে হাজি মো. মুসলেহ উদ্দীন (আওয়ামী লীগ), ব্রাহ্মণাড়িয়ার আখাউড়ায় মো. তাকজিল খলিফা (আওয়ামী লীগ), বান্দরবানে মো:ইসলাম বেবী (আওয়ামী লীগ), সাতক্ষীরায় তাজকিন আহম্মদ চিশতি (বিএনপি), যশোরের চৌগাছা নুরুউদ্দীন আল মামুন হিমেল (আওয়ামী লীগ), বাঘারপাড়ায় কামরুজ্জামান বাচ্চু (আওয়ামী লীগ), বাগেরহাটে খান হাবিবুর রহমান (আওয়ামী লীগ), ময়মনসিংহের ফুলপুর শশধর সেন (আওয়ামী লীগ), ত্রিশালে এবিএম আনিসুজ্জামান আনিস (স্বতন্ত্র), কুমিল্লার দাউদকান্দি নাঈম ইউসুফ সেইন (আওয়ামী লীগ), জয়পুরহাটের কালাই রাবেয়া সুলতানা (আওয়ামী লীগ) ও আক্কেলপুরে শহীদুল আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শামসুল হক (আওয়ামী লীগ), চট্টগ্রামের চন্দনাইশ মাহাববুল আলম খোকা (আওয়ামী লীগ), নাটোর বড়াইগ্রাম মাজেদুল বারী নয়ন (আওয়ামী লীগ), জামালপুরের মেলান্দহে সফিক জাহেদী রবিন (আওয়ামী লীগ), হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মোহাম্মদ সাইফুল আলম রুবেল (আওয়ামী লীগ), ঠাকুরগাঁও সদরে আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা (আওয়ামী লীগ) জয়লাভ করেন।