নাসুমের ঘূর্ণিতেই নির্বাচকদের আস্থা

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৫২

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অবিচ্ছেদ্য অংশ বাঁহাতি স্পিন। তাদের হাতের ঘূর্ণিতে এসেছে বহু জয়। গতকাল ঘোষিত নিউজিল্যান্ড সফরের বাংলাদেশ দলে একমাত্র বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলাম না থাকায় ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির ২০ সদস্যের দলে নাসুমই বাংলাদেশের ভরসা।

পিতৃত্বকালীন ছুটির কারণে নেই সাকিব। আর সীমিত ওভারের ফরম্যাটের দল থেকে বাদ পড়েছেন তাইজুল। গতকাল প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, তাইজুলকে এখন শুধু টেস্টেই চিন্তা করা হচ্ছে। বাকি দুই ফরম্যাটে নির্বাচকদের ভাবনায় বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে আছেন শুধু নাসুম।

দল ঘোষণার পর গতকাল প্রধান নির্বাচক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে এখন তাইজুলকে বেশি খেলানোর চিন্তাভাবনা করছি। নাসুমকে তো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ভাবনায় রেখেছি। ঘরোয়াতেও ওর পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভালো। আশা করছি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নাসুম নিজেকে মেলে ধরতে পারবে।’

গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজের দলে থাকলেও ম্যাচ খেলতে পারেননি সিলেটের ছেলে নাসুম। নিউজিল্যান্ড সফরের দলটা সম্মিলিত বলেই প্রথম বার ওয়ানডে দলে ডাক পেলেন ২৬ বছর বয়সি এ ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। আশা করা যাচ্ছে, বাঁহাতি স্পিনার কোটায় নিউজিল্যান্ডে অভিষেক হয়ে যাবে নাসুমের।

 

দলে একাধিক অফস্পিনার থাকলেও রাখা হয়নি লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে। মূলত অসুস্থ হওয়ায় এবং নিউজিল্যান্ডের ঠান্ডার ভয়ে চিকিৎসকের পরামর্শেই দলের বাইরে রাখা হয়েছে বিপ্লবকে। করোনা, কোয়ারেন্টাইন বিবেচনা বাংলাদেশ দলে রাখা হয়েছে ৭ পেসারকে। গতকাল নান্নু বলেছেন, ‘করোনার জন্য একটু বড় স্কোয়াড দিতে হয়। ওখানে কোয়ারেন্টাইন শেষ করে ক্যাম্প যখন শুরু হবে তখন সব খেলোয়াড়ের ফিট থাকার ব্যাপার আছে, এজন্য স্কোয়াড বড় করেছি। কেউ যদি ইঞ্জুরড হয়, বা কারও কোনো সমস্যা হলে নতুন করে কাউকে ঐসময় নেওয়া কঠিন।’

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এখনো জয় নেই বাংলাদেশের। সাকিব না থাকলেও তামিম-মাহমুদউল্লাহদের নিয়ে গড়া অভিজ্ঞ দলের কাছে ভালো ক্রিকেট আশা করছেন প্রধান নির্বাচক। তিনি বলেছেন, ‘এবার অভিজ্ঞ এক দল যাচ্ছে। করোনার কারণে এক বছর বিরতির পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছি। এজন্য আত্মবিশ্বাসী। আশা করি, ইনশা আল্লাহ উন্নতির ধারা ঠিক থাকলে ভালো ফল দেখব।’

ইত্তেফাক/এমআর