অর্থ আয়ের ইন্টারন্যাশনাল প্লাটফরম ই-ফ্রিল্যান্সিং। তবে এ পেশায় অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ পেশায় যুক্ত হওয়ার আগে নিজেকে ভালোভাবে দক্ষ করে তোলাটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে ভাষা দক্ষতা জরুরি। এরপর কাজের দক্ষতা দরকার। সেজন্য ফ্রিল্যান্সিংয়ে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য একটা সুযোগ করে দিচ্ছে কোডার্সট্রাস্ট বাংলাদেশের উইমেন স্কিল ডেভেলপমেন্ট থ্রু ফ্রিল্যানসিং মার্কেটপ্লেস (ডব্লিউএসডিএফ)। আর এখান থেকেই সহযোগিতা নিয়ে সফল হয়েছেন নুরুন্নাহার পিংকি।
তিনি বলেন, বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে পড়াশোনা করেছি। বর্তমানে আমাদের দেশে চাকরির সুযোগ থাকলেও শ্রমের মূল্য অনেক কম। সেখানে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক কাজ করে মূল্য পাওয়া সম্ভব। তাই সিদ্ধান্ত নেই ই-ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ করার। ইচ্ছে থেকেই ই-ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর একটা কোর্স করি কোডার্সট্রাস্ট থেকে। বিনামূল্যেই কোর্সটি করার সুযোগ পাই। আমি ছিলাম দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী। একেক জন মেন্টর একেক জন স্টুডেন্টের পেছনে অনেক বেশি শ্রম ও মেধা দেন। বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল মারকেটপ্লেসগুলোতে ই-কমার্স এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। প্রথমে আমি ২৫০ ডলারের একটা অর্ডার পাই ভারচুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। পরে বায়ার মাসিক ভিত্তিতে তার কোম্পানিতে অ্যাসাইন করেন আমাকে। পাশাপাশি আমি অন্য বায়ারদের সঙ্গেও কাজ করছি নিয়মিত। বর্তমানে নিজের বাড়িতেই তিন জন টিম মেম্বার নিয়ে কাজ করছি। ফলে ঘরে বসেই বর্তমানে মাসিক ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার উপার্জন করছি। ইচ্ছে আছে নিজের টিমকে আরো বড় করা এবং এর মাধ্যমে আরো বেশি এগিয়ে যাওয়ার।
