কোম্পানীগঞ্জে নিহত সাংবাদিকের দাফন বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:১২

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত অনলাইন পোস্টাল বার্তা ডট কমের সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরের লাশ তার গ্রামের বাড়ি চরফকিরায় গতকাল রাতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলির সময় ঘটনাস্থলে ছবি তুলতে গেলে গুলিবিদ্ধ হন মুজাক্কির । আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের আইসিইউতে ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মুজাক্কিরের মৃত্যুর খবর কোম্পানীগঞ্জে ছড়িয়ে পড়লে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে রাতেই বসুরহাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল হয়।  মিছিল শেষে বঙ্গবন্ধু চত্বরে সমাবেশ হয়। এর আগে সকালে একই জায়গায় মুজাক্কিরের হত্যার বিচার দাবিতে আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারীরা বিক্ষোভ করে। অন্যদিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারসহ বিভিন্ন বাজারেও  বিক্ষোভ মিছিল হয়।

বিকালে নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খালিদ ইবনে মালেকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিহত মুজাক্কিরের বাড়িতে পরিদর্শনে যায়। এরপর তিনি চাপরাশির বাজারের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে চাপরাশিরহাট বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খালিদ ইবনে মালেক ও কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদুল হক রনির নেতৃত্বে একদল পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এ প্রতিবেদকে বলেন, ‘আমি ঘটনার আগেই জিডি করেছি, একরাম চৌধুরী আমাকে হত্যা করবে অথবা একটি লাশ ফেলবে। তাদের পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক একরাম চৌধুরীর বাসায় বসে এ পরিকল্পনা করা হয়। মুজাক্কির সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংগ্রহের জন্য সেখানে যেতে পারে। তাদের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর অস্ত্রে মুজাক্কির নিহত হন।’