কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (ইপিজেড) শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান করলেও এর বিষাক্ত বর্জ্যে মহানগরীসহ কুমিল্লার সদর দক্ষিণ, লালমাই, লাকসাম উপজেলার অসংখ্য মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশিসহ যৌথ মালিকানাধীন রয়েছে ৪৭টি কারখানা। প্রতিদিন এই কারখানাগুলো থেকে কমপক্ষে ১৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য রাসায়নিক ও জৈবিক পদ্ধতিতে পরিশোধন করার লক্ষ্যে ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তারপরও কারখানাগুলোর তরল বর্জ্য প্রতিদিনই ড্রেনে ফেলায় সেগুলো বাইরের খাল, জলাশয় ও ফসলি জমিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে একদিকে চাষাবাদ কমছে, অন্যদিকে পুকুর, জলাশয় বা খালে মাছসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে, পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়াসহ তীব্র গোখাদ্য সংকটেও পড়েছেন কৃষকরা। প্রতিদিন ইপিজেডের পরিত্যক্ত বর্জ্য ড্রেনে ফেলায় ৩০টির বেশি এলাকা বা গ্রাম সংলগ্ন গুইঙ্গাজুড়ি খালের আশপাশের কৃষকরা সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ অবস্থায়, দ্রুত ইপিজেডের বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা করে আশপাশের খাল-বিল-জলাশয়সহ ফসলি জমি দূষণমুক্ত করা হোক।
মামশাদ কবীর
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০
