জনপ্রশান প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি বলেছেন, 'দুর্নীতির সঙ্গে সরকারের কোন আপোষ নাই'। বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন মেহেরপুরে এসে পেীঁছে সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি বলেন, 'প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। জনগণ যাতে করে জনপ্রশাসনের কাছ থেকে যেন যথাযথ সেবা পেতে পারে সেই লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের ১২৩ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে দুর্নীতি করার কোন প্রয়োজন নেই। কেউ যদি দুর্নীতি করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। একই ভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধেও এই সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে'। এর আগে প্রতিমন্ত্রীকে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। মন্ত্রী তাদের সালাম গ্রহণ করেন। এসময় জেলা প্রশাসক আতাউল গণি ও পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, 'জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে চাই। সাধারণ মানুষ যাতে জনপ্রশাসনের কাছে থেকে নিরাপত্তা, সুবিধা এবং সেবা পায় সে ব্যাপারে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।। জনপ্রশাসনকে আরো জনবান্ধব ও জনকল্যামুখী হিসেবে তৈরি করতে চাই'।
তিনি আরও বলেন, 'নির্বাচন সময়ে আমরা মেহেরপুরের উন্নয়নে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। ইতিমধ্যে মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে। যতদ্রত সম্ভব তার কাজটা শুরু করার চেষ্টা করবো। এছাড়া মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালটিকে মেডিক্যাল কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছি। এর ফলে ব্যাপকভাবে গরিব ও দুস্থ রোগীরা অনেক উপকার পাবে'।
আরও পড়ুন: কোটালীপাড়ায় বাসচাপায় শিশু নিহত
মুজিবনগর অধ্যুষিত মেহেরপুরের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে তিনি বলেন, 'আমি গর্বিত এমন একটি এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পেরে। সেক্ষেত্রে মেহেরপুর ও মুজিবনগর বাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ জানায় এই এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে আমাকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায়। মুজিবনগর এলাকার সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এই এলাকায় আমার অনেক অঙ্গীকার ও দায়িত্ব রয়েছে। আমার এলাকার সকল শ্রেণীর পেশার মানুষের সহযোগিতা নিয়ে সাধ্যমত মেহেরপুরের উন্নয়নে কাজ করতে পারি'।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
