বিমান বাংলাদেশের ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতির অনুসন্ধান সংক্রান্ত দুদকের নথি তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ঐ নথি আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিটকারী আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, দুদক আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে, সিবিএ নেতারা দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, তার সত্যতার বিষয়ে কোনো তথ্য ঐ প্রতিবেদনে নেই। সে কারণে সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানের নথি আদালতে দাখিলের আবেদন জানালে কমিশনের সিদ্ধান্তসহ পূর্ণাঙ্গ নথি আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। গত ২৮ জানুয়ারি ১৭ সিবিএ নেতার বিষয়ে দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে বা আদৌ কোনো পদক্ষেপ নিয়েছিল কিনা তা জানাতে দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে মনজিল মোরসেদ, দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক শুনানি করেন।
দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের অনুসন্ধানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২০১৪ সালে ১৭ সিবিএ নেতাকে হাজির হতে নোটিশ দিয়েছিল দুদক। কিন্তু তারা হাজির না হওয়ায় এ বিষয়ে মিডিয়ায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ঐ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট করেন মনজিল মোরসেদ। এর পরই রুল জারি করে আদালত। রুলে দুদক আইন অনুসারে বিমানের ১৭ সিবিএ নেতাকে হাজিরে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দীর্ঘ ছয় বছর পর রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টে উঠে।
