পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:২৬

হিমন এডওর্য়াড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক

সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

মানুষের মুখ থেকে বায়ু বের হওয়ার মাধ্যমে ধ্বনির সৃষ্টি। এগুলোর কোনো আকার নেই। এগুলো মানুষ কেবল মুখে উচ্চারণ করে ও কানে শোনে। ধ্বনিগুলোকে চেনার জন্য কিছু প্রতীক তৈরি করা হয়েছে। এই প্রতীকের নাম বর্ণ। বর্ণ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ।

ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বর্ণ বলা হয়।

যেমন— বই = ব + ই। এখানে ‘ব’ এবং ‘ই’ হলো বর্ণ।

বাংলা ভাষায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। সবগুলোকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

১. বর্ণ দুই প্রকার:স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।

স্বরবর্ণগুলো স্বাধীন। অর্থত্ স্বরবর্ণগুলো উচ্চারণে অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য লাগে না।

যে সকল বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে সেগুলোকে স্বরবর্ণ বলে।

বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ আছে।

এগুলো হলো:অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।

অন্যদিকে, ব্যঞ্জনবর্ণগুলো উচ্চারণে স্বরবর্ণের সাহায্য প্রয়োজন হয়। যেমন: ‘ক’ উচ্চারণ করতে ‘ক’-এর সাথে একটি অতিরিক্ত বর্ণ ‘অ’ উচ্চারণ করতে হয়।

উদাহরণ:ক্ + অ = ক।

যে সকল বর্ণ স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।

যেমন:ক, খ, গ, ঘ, ঙ ইত্যাদি। বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।