দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫১৬ টাকা করে কমেছে। এতে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ১৫০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। গতকাল বুধবার থেকে নতুন দামে বিক্রি শুরু হয়েছে অলংকার তৈরির এ ধাতু। মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাজুস জানিয়েছে, ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী করোনার ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হলেও এর প্রভাব এখনো পুরোপুরিভাবে অর্থনীতিতে পড়েনি। ফলে নানা জটিল সমীকরণে বিশ্ব বাজার এখনো অস্থির। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কিছুটা নিম্নমুখী। তাই দেশীয় জুয়েলারির বাজারে অচলাবস্থা কাটাতে ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে চলতি বছরে টানা দ্বিতীয় বারের মতো বাজুস ভরিপ্রতি সোনার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার থেকে কার্যকর হবে এটি। তবে অপরিবর্তিত থাকবে রুপার দাম।
বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকায় দেখা গেছে, গতকাল বুধবার থেকে ভালো মানের অর্থাত্ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে ৭১ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের সোনা ৬৮ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ৫৯ হাজার ২৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৯৩০ টাকা।
সোনার দাম কমলেও পূর্বের নির্ধারিত দাম বহাল থাকছে রুপার ক্ষেত্রে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার দাম ৯৩৩ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২ মার্চ পর্যন্ত দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের সোনা ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৬০ হাজার ৭৬৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনা ৫০ হাজার ৪৪৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
