চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন আটক মামলায় তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২১, ২২:২২

চট্টগ্রাম বন্দরে মাদক তরল কোকেনের চালান আটকের ঘটনায় মাদক আইনে দায়ের হওয়া মামলায় বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের এক কর্মকর্তাসহ তিন জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বন্দর কর্মকর্তা নেজাম উদ্দিন, মো. মহিউদ্দিন ও মাহাবুবুর রহমানের সাক্ষ্য গতকাল বুধবার গ্রহণ করা হয়। তারা চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, কোকেন মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী চট্টগ্রাম বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা নেজাম উদ্দিনসহ তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নেজাম উদ্দিনের সামনে কনটেইনার ও ড্রাম খুলে আলামত সংগ্রহ এবং সিলগালা করা হয়। তিনি জব্দ তালিকার সাক্ষী হিসাবে আদালতে সাক্ষী দেন। এছাড়াও মো. মহিউদ্দিন ও মো. মাহাবুবুর রহমান নামে আরো দুই জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ১৪ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল চাঞ্চল্যকর এ মামলায় ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এর আগে এই ১০ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এরপর ঐ বছরের ১৯ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত প্রথম দফায় চার জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

অভিযুক্ত ১০ জন হলেন—আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ, কসকো-বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক এ কে এম আজাদ, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল, প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, লন্ডন প্রবাসী চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফজলুর রহমান ও মৌলভীবাজারের বকুল মিয়া।