মাদারীপুরের রাজৈরে সাবেক ইউপি সদস্য যুধিষ্টির বসুকে (৫০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে নিহতের ছোটভাই শ্রীবাস বসু বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ ঘটনায় সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হল- যতিশ বসু (৫০) ও তার স্ত্রী কনক বসু (৪৮), বিমল বসু (৬০) ও মিঠু বসু (৪৩)। তারা সবাই রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের মৃধাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। নিহতের সাথে আসামি যতিশ ও বিমলের সম্পর্ক চাচাতো ভাই ও কনক ও মিঠু হলেন সম্পর্কে বৌদি।
রাজৈর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইমতিয়াজ আহাম্মেদ বলেন, ‘উপজেলার মৃধাবাড়ী গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য নিহতের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা নিহতের কাকাতো ভাই ও দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে নিহতরে ভাই বাদী হয়ে মামলা করলে আটককৃতদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া এই মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’
আরো পড়ুন: চাঁদা না দেওয়ায় ভ্যানচালককে পেটালো সন্ত্রাসীরা
মামলার এজাহার ও নিহতের পরিবারের সূত্র জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কদমবাড়ির ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য যুধিষ্টির বসুকে (৫০) কুপিয়ে হত্যা করে তার কাকাতো ভাইয়েরা। গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের মৃধাবাড়ি এলাকার একটি মুরগির খামারের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার বাদী নিহতের ছোটভাই শ্রীবাস বসু বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যার পিছনে যতিশ বসুসহ আরো অনেকে জড়িত। সামন্য কিছু জমির জন্য ওরা আমার বড় ভাইকে মেরে ফেললো। আমার ভাইয়ের মৃত্যু পিছনে যারা জড়িত আমি তাদের সর্বচ্চো বিচার দাবি জানাই।’
প্রসঙ্গত, বুধবার মধ্যরাতে বাড়ির পাশে একটি মুরগির খামার পরিদর্শনে যায় যুধিষ্টির। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শত্রুরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে তাকে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় তারা।
ইত্তেফাক/বিএএফ
