ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ২০১৬ সালে চার লেনে উন্নীত হওয়ার পর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সৌন্দর্য বর্ধনে সড়কদ্বীপের কুমিল্লা অংশে প্রায় বারো হাজার ফুলগাছ রোপণ করে। এক সময় গাছগুলো পরিপক্ব হয়ে উঠলে পরিচিতি জানান দেয় বিভিন্ন রঙের ফুল ফুটিয়ে। জানা যায়, চার লেন প্রকল্প থেকে সড়কদ্বীপে লাগানো হয়েছিল কুরচি, বকুল, সোনালু, রাঁধাচূড়া, কেছিয়া, কৃষ্ণচূড়া, কাঞ্চন, করবী, জারুল, পলাশ ও হৈমন্তীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ। বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ফুল ফুটলে বদলে যায় মহাসড়কের ছবি। চলন্ত যানবাহন থেকে ভ্রমণপিপাসুরা সৌন্দর্য অবগাহনে উত্সুক হয়ে ওঠেন। কেউ চলন্ত গাড়ি থেকে ফুলগাছে হাত বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কেউবা ফুলের গাছের সঙ্গে সেলফি তোলেন। মহাসড়কের কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাস সংলগ্ন আমতলী এলাকার হোটেল ব্লু-ডায়মন্ড, আলেখারচর এলাকার হোটেল মিয়ামীতে যাত্রাবিরতি করা একাধিক প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, যাত্রীবাহী বাসের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রত্যেকেই সড়ক দ্বীপের ফুলের সৌন্দর্যে অভিভূত।
সড়কদ্বীপের ফুলগাছগুলোর যত্ন, পরিচর্যা হলে আরো সুন্দর হতো। কেননা অযত্নে সড়কদ্বীপের অনেক জায়গায় ফুলগাছশূন্য হয়ে গেছে। সেইসব জায়গায় নতুন করে ফুলগাছ লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মামশাদ কবীর, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০
