কুমিল্লা প্রতিনিধি
ভাষা সৈনিক, বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক আবদুল জলিল (৯০) আর নেই। তিনি হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার লাকসামের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। লাকসাম পৌর এলাকার উত্তর বাজার জামে মসজিদ এবং উপজেলার উত্তরদা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ভাষা সৈনিক আবদুল জলিলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তিনি লাকসাম উপজেলার চন্দনা গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার এক ছেলে, তিন মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রয়েছে।
লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র থাকাবস্থায় আবদুল জলিল ৫২’র ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি দক্ষিণ কুমিল্লার প্রাচীন সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক লাকসাম’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক। তিনি ‘খুনে লাল বাংলা’ নাট্যগল্প, ‘বৃহত্তর লাকসাম ও কুমিল্লা সংক্ষিপ্ত অধ্যায়’, ‘জনপদ কথামালা’, ‘বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার সাংবাদিকতার উদ্ভব ও বিকাশের ইতিহাস’, ‘ওগো বঙ্গবন্ধু’, ‘সাগর তীরে কেওড়াবনে’, ‘পীর মুর্শিদের বাংলাদেশ’সহ বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা, খেলাঘর ও সুজন মজলিশের আঞ্চলিক সংগঠক হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।
