কচুয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখীর চাষ

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২১, ২১:১৪

কচুয়া (চাঁদপুর) সংবাদদাতা

নজরকাড়া সৌন্দর্য, সেসঙ্গে তেল ও জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার রয়েছে সূর্যমুখীর। মাঠ জুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ চোখ জুড়াতে আসছেন দর্শনার্থীরা। আর এ দৃশ্যের দেখা মিলছে কচুয়ার ডুমুরিয়া, কালচোঁ, সাচার, ঘাগড়া, পালাখাল, রহিমানগরসহ বিভিন্ন এলাকায়। উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখীর চাষ। কম সময় আর স্বল্প খরচে ভালো লাভ পাওয়ায় চাষিরাও বেশ খুশি।

উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের চাষি সুজন সরকার, আকানিয়া গ্রামের অঙ্গরাজ সরকার ও ডুমুরিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম জানান, সূর্যমুখী চাষে এক বিঘা জমিতে খরচ হয় আট থেকে ১০ হাজার টাকা। সামান্য রাসায়নিক সার আর দুই বার সেচ দিতে হয়। নভেম্বরে বীজ বপনের পর ৮০ থেকে ৯৫ দিনের মধ্যে তোলা যায়। প্রতি এক বিঘা জমির উত্পাদিত বীজ থেকে আয় হবে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। অন্য ফসলের তুলনায় খরচ কম, লাভ বেশি হওয়ার কারণে এ ফুলের চাষ করছেন।

কচুয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প এবং রাজস্ব প্রণোদনার আওতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে কচুয়া উপজেলায় ৩০ জন কৃষকের মধ্যে বারী সূর্যমুখী-৩ জাতের বীজ দেওয়া হয়েছে। তেল জাতীয় অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী বীজে তেলের পরিমাণ ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ রয়েছে। সূর্যমুখীর তেল অন্যান্য সাধারণ তেলের চেয়ে পুষ্টিমানে ভালো। তাই সূর্যমুখীর চাষে উপজেলার কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।