করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্যসংকট মোকাবিলায় দেশের প্রতি ইঞ্চি পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনতে ৪৩৮ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাড়ির আঙিনায় ও পতিত জমিতে পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন করা হবে। ফলে খাদ্য উত্পাদন আরো বৃদ্ধি পাবে।
গতকাল শনিবার রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কৃষিবিদ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নতুন জাতের ফসলের বীজের উত্পাদন ও বিতরণে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে বিএডিসির কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এসব জাতের বীজে কৃষক পর্যায়ে বিতরণ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। এখন নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মত খাদ্যের নিশ্চয়তা দিতে কাজ করছি। এজন্য কৃষিবিদদেরকে আরো কঠোর ও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে। কৃষিমন্ত্রী কর্মকর্তাদের বদলি পদায়নের জন্য তদবির না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের অনেকেই প্রকল্পের পরিচালক (পিডি), প্রকল্প উপপরিচালক বা পছন্দমতো পদে পদায়ন ও বদলির জন্য নানাভাবে তদবির করেন। এটি কোনো মতেই কাম্য নয়। যারা তদবির করেন তাদেরকে আমি পছন্দ করি না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম। বিএডিসি কৃষিবিদ সমিতির সভাপতি রিপন কুমার মণ্ডলের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চন্দ্র দে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় রায়।
