ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ,সহকারী শিক্ষক
পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় পিরোজপুর
শুভেচ্ছা নিও। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ভালো নম্বর পেতে হলে তোমাদের একটু টেকনিক অবলম্বন করতেই হবে। টেকনিক শব্দটা এজন্য বললাম, একটি সহজ বিষয় হওয়া সত্ত্বেও অনেকে এ সাবজেক্টের কারণে আশানুরূপ রেজাল্ট করতে পারে না। অনেক শিক্ষক ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে বেশি বেশি নম্বর দিয়ে থাকেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বেশি নম্বর পাওয়ার একধরনের টেনডেনসি তৈরি হয়ে যায়। অন্যদিকে যে সকল পরীক্ষক ভালোভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ণ করেন তাদের হাতে ভালো নম্বর তোলা সহজসাধ্য নয়। তাই অবহেলা না করে পাঠ্যবইয়ের অধ্যায়গুলো ভালো করে পড়তে হয়। পাঁচটি অধ্যায় থেকে কমবেশি প্রশ্ন থাকেই। বিশেষ করে তথ্যবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতো বটেই। গুরুত্বপূর্ণ কোটেশন, পাঠ সংশ্লিষ্ট সন-তারিখ, স্থান, নাম, সূরার আয়াত সংখ্যা, শানে-নুযূল, নাজিলের স্থান, শিক্ষা, সংজ্ঞা, বিভিন্ন পরিভাষা, শব্দের অর্থ, কুরআন ও হাদিসের বাণীগুলো বারবার মনোযোগ সহকারে পড়লে অনায়াসে সবই আয়ত্তে এসে যাবে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর করার আগে উদ্দীপক বেশ কয়েকবার পড়ে নিতে হয়। বিশেষ করে গ ও ঘ নং প্রশ্ন। গ এর চেয়ে ঘ নং প্রশ্নের উত্তর বড় হওয়া কোনোক্রমেই উচিত নয়। উত্তরের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কুরআন হাদিস থেকে কোটেশন দেবে। পারলে আরবিতে লিখবে। তবে ভুল আরবি লিখতে যাবে না। আরবি লিখতে না পারলে বাংলা অর্থ লিখে দেবে। সাথে রেফারেন্সও দেবে। কোটেশন লেখার সময় এমনভাবে লিখবে যেন পরীক্ষকের মনোযোগ আকৃষ্ট হয়। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর করার সময় ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
