কোভিড টেস্ট নিয়ে একটা শঙ্কায় ছিলেন নেপালে যাওয়া ফুটবলাররা। শেষ পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ই শনাক্ত হননি এটাই হচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের জন্য সবচেয়ে ভালো খবর। কারণ নেপালে যাওয়ার আগে রহমত মিয়ার কোভিড আক্রান্তের খবরটি বড় ধাক্কা দিয়েছিল। রহমত যে কোনো সময় নেপালে চলে যাবেন। জামাল ভুঁইয়া ভারত থেকে গতকালই ঢাকায় এসেছেন। জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল এবং রহমত এক সঙ্গে নেপাল যাবেন।
ফুটবলাররা কাঠমাণ্ডু পৌঁছে করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দেওয়া হলেও সাধারণ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এ নিয়ম নেই বলে নেপাল থেকে জানিয়েছেন বাফুফের প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন খেলোয়াড়রা মুখোমুখি হচ্ছেন বলেই করোনা টেস্ট করানো হচ্ছে। যারা ভ্রমণ করতে আসবেন তাদের জন্য এই নিয়ম নেই। বাংলাদেশ থেকে যেসব সাংবাদিক আসবেন তাদের জন্যও করোনা টেস্টের নিয়ম থাকবে না।’
এখন যারা নেপালে আছেন তারা গতকাল সকালে হোটেলেই জিম করেছেন। নেপাল থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে, হোটেলে আধুনিক জিম রয়েছে। গতকালই ফুটবলারদের সঙ্গে কোচিং স্টাফদের আরো গোলকিপার কোচ অস্ট্রেলিয়ান লেস ক্লিভলি। গতকালই তিনি দলের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন।
বিকালে খেলোয়াড়রা গিয়েছিলেন আনফার মাঠে। সেখানে দেড়ঘণ্টা অনুশীলন করেন ফুটবলাররা। দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে খেলোয়াড়দের গেম প্ল্যান নিয়ে কাজ করছেন। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ কিরগিজস্তানের অলিম্পিক ফুটবল দলের বিপক্ষে ২৩ মার্চ।
আজ কিরগিজস্তান নেপালে আসবে। তিন জাতির এই টুর্নামেন্টের তিন দলই একই হোটেলে অবস্থান করবে। বাংলাদেশের খেলোয়াড় দুই জন এক রুমে থাকবেন। খাওয়া-দাওয়া সমস্যা হলেও পাঁচ তারকা হোটেলে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে ডাল-ভাত, চিকেন, গ্রিল জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এসআই
