বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে রাজধানীতে সেমিনারে বক্তারা

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২১, ০০:০২

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বিশেষ করে দেশের মাথাপিছু আয়, রেমিটেন্স বৃদ্ধি, গৃহহীনদের মাথা গোঁজার জন্য ঘর তৈরি, ২৭ হাজার স্কুল জাতীয়করণ, ফ্রি বই বিতরণ, জিডিপি ৩ হাজার ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নিত প্রভৃতি। এমনকি উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিও পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে এখনো দেশে পি কে হালদারের মতো দুর্নীতিবাজরা রয়েছে, যারা লুটপাট করছে।

গতকাল শনিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের আয়োজনে ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে পথ এবং পথচলা শীর্ষক’ এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের যে উন্নয়ন ঘটেছে এটা সহজ ছিল না। ১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন স্বাধীনতা-বিরোধীরা তাকে হত্যার পর থেকে দেশ সামরিক শাসনের আওতায় চলে যায়। তারা দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে। দেশকে পিছিয়ে নিয়ে যায়। তারপর বহু আন্দোলনের ফলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসে। কিন্তু বিএনপির শাসনামলে দুর্নীতি বেড়ে যায়। দেশ তলাবিহীন ঝুঁড়িতে পরিণত হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুযোগ্য শাসনামলে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। আমরা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছি। আগামী ২০৪১ সালে দেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ, দেশে সুশাসন এসেছে।’

অনুষ্ঠানে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, খুব কম সংখ্যক মানুষ, খুব সংখ্যক সংগঠন কর্তৃপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। আর আমাদের সুশীল সমাজকে হতে হবে কার্যকরী। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কথা বলবে। দেশে আইনের ক্ষেত্রে সমান প্রয়োগ দরকার। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ঠিকমতো চললেও রোড সেফটি অ্যাক্টের ক্ষেত্রে সেটি দেখা যায় না।

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক বলেন, স্বাস্থ্য খাত একদম শূন্য থেকে অনেক এগিয়েছে। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বপ্ন দেখেছিলেন একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবেন।  যার কারণে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।

সকাল ৯ থেকে দিনব্যাপী আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, লেফটেনেন্ট জেনারেল এম হারুন-উর রশিদ, ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, প্রফেসর ড. আলী রিয়াজ, ড. ফাহমিদা খাতুন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসাইন, জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নোকি, টার্কিস রাষ্ট্রদূত মুসতফা উসমান তুরান, ইউএনডিপির সুদীপ্ত মুখার্জী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাহাব এনাম খান, ড. সায়রা খান, সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান প্রমুখ।