দুই দিন পর শনাক্ত আবারও ২ সহস্রাধিক

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২১, ২২:২১

দেশে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ে আরো ২২ জন মারা গেছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। একই সময়ে নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৭২ জনের শরীরে। গত ১৮ মার্চ করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা ছিল ২১৮৭ জন। এর পরদিন এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৬৮। দুই দিন পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজারের ঘরে পৌঁছাল। গতকাল রবিবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৮ জন হয়েছে। আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ২২ জনকে নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে মোট ৮ হাজার ৬৯০ জনের মৃত্যু হলো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আরো ১ হাজার ৬৮৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ২২ হাজার ৪০৫ জন হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২১৯টি ল্যাবে ২১ হাজার ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ লাখ ৯ হাজার ১১৯টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার ১৭টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ১০২টি।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ আর নারী তিন জন। তাদের প্রত্যেকেই হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ছয় জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, দুই জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর এবং এক জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। মৃতদের মধ্যে ১৭ জন ঢাকা বিভাগের, দুই জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুই জন রাজশাহী বিভাগের এবং এক জন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৬৯০ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৫৭০ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ১২০ জন নারী। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৮৫৫ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ২ হাজার ১৪৯ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৯৮৩ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪২৮ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৭৩ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৫ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম। এর মধ্যে ৪ হাজার ৮৭১ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫৯৬ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৮৮ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৬৯ জন খুলনা বিভাগের, ২৬৫ জন বরিশাল বিভাগের, ৩১৪ জন সিলেট বিভাগের, ৩৬৮ জন রংপুর বিভাগের এবং ১৯৯ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।