দুর্বল কোম্পানি বিষয়ে বিএসইসি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
তিন সদস্যের সাবকমিটি করতে হবে—এমন বিধান রেখে দুর্বল কোম্পানির জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র পরিচালকরা কোম্পানির ঋণ বা অন্য কোনো দায়ের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি নেবেন না বলেও ঐ নির্দেশনায় বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, এ ধরনের কোম্পানির জন্য স্বতন্ত্র পরিচালকরা ঋণখেলাপি হবেন না। দুর্বল কোম্পানি হলো—যে কোম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থিত, উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণে ব্যর্থ, সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে না এবং তিন বছরের বেশি লভ্যাংশ দেয় না—এমন কোম্পানিগুলো।
নির্দেশনায় বলা হয়, এ জাতীয় কোম্পানিতে পর্ষদ তিন সদস্যের সাবকমিটি গঠন করবে। এরমধ্যে কমপক্ষে এক জন স্বতন্ত্র পরিচালক থাকবে। কোম্পানিগুলোর পর্ষদ বছরে কমপক্ষে চারটি সভা করবে। তবে মাসে কোনোভাবেই চারটির বেশি সভা করা যাবে না। আর এ প্রথম চার মাস চারটির বেশি সভা করা যাবে; কিন্তু পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রথম দুই মাসে আটটির বেশি এবং পরবর্তী দুই মাসে ছয়টির বেশি করা যাবে না।
এদিকে সাবকমিটিও বছরে কমপক্ষে চারটি সভা করবে। তবে মাসে একটির বেশি করতে পারবে না; কিন্তু পর্ষদ পুনর্গঠনের এ প্রথম দুই মাস সর্বোচ্চ দুইটি সভা করা যাবে। পরিচালনা পর্ষদ ও সাবকমিটির সব পরিচালক সভার জন্য সম্মানি পাবেন বলে বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে। প্রতিটি সভার জন্য সম্মানি ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কোম্পানির উন্নতি ও কমপ্লায়েন্স প্রতিপালনের বিস্তারিত তথ্য মাস শেষ হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচালকদের কমিশনে দাখিল করতে হবে।
