প্রবীণ রাজনীতিক, সাবেক মন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান (৮১) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। গতকাল শনিবার ভোরে রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তার কন্যা। গতকাল বাদ আসর রাজধানীর বারিধারা মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মাহবুবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এক শোকবাণীতে প্রধান বিচারপতি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় জেপির নেতৃদ্বয় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রয়াত মাহবুবুর রহমান ১৯৪০ সালের ৫ জানুয়ারি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। মাহবুবুর রহমান ১৯৬২ সালের ১৪ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরশাদ সরকারের সময়ে তিনি ধর্মমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার ও শিক্ষাসহ ৯টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নোয়াখালী-৩ আসনের (চাটখিল) এমপি নির্বাচিত হন। পরে তিনি আবার এরশাদের জাপায় ফিরে যান এবং দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হন। তবে অসুস্থতার কারণে গত কয়েক বছর যাবত্ তিনি রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন।
