আছে ৫০০ পরিচ্ছন্নতা কর্মী

তবুও ‘ময়লার শহর’ কক্সবাজার!

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২১, ২২:৪০

পর্যটন শহর কক্সবাজার প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা। এর ১২টি ওয়ার্ডের ড্রেন-সড়ক-উপসড়ক পরিষ্কার রাখার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন সাড়ে ৫০০ পরিচ্ছন্নতা কর্মী। পৌরসভার তথ্য মতে, তাদের সব কর্মী প্রতিদিনই নিজ নিজ দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করেন। কিন্তু এর পরও শহরের প্রায় প্রতিটি সড়ক-উপসড়কে সারা দিন ময়লার স্তূপ পড়ে থাকছে। আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়ে আছে শহরের বড় বড় ড্রেন ও নালাগুলো। ফলে তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লোকজনের চলাফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভোগান্তিতে পড়ছেন শহরবাসী এবং সেই সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকেরাও। শহর নোংরা থাকায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে পৌরসভার ভাবমূর্তিও যথেষ্ট ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

শহরবাসীর অভিযোগ, সড়কের পাশে ডাস্টবিনে প্রতিদিনই সকাল পেরিয়ে দুপুর, এমনকি বিকাল পর্যন্ত পড়ে থাকে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। কিছু কিছু ডাস্টবিনের ময়লা কয়েক দিনেও সরানো হয় না। পৌর মেয়র জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান নির্বাচনের আগে পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার তিন বছর পার হলেও তার সেই ঘোষণা আলোর মুখ দেখেনি।

দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশে বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে লালদীঘি পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ডাস্টবিনে বিকাল পর্যন্ত পড়ে থাকে ময়লার স্তূপ। কুকুর-গরু আবর্জনা ঘাঁটাঘাঁটি করায় ময়লা ছড়িয়ে যায় সড়কেও। বিশেষ করে শহরের রুমালিয়ার ছড়াস্থ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে প্রধান সড়ক, ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালের পশ্চিম পাশে, জেলা আদালত চত্বরের পাশে, হাসপাতাল সড়কে জেনারেল হাসপাতালের সামনে, টেকপাড়া মসজিদ সড়ক, বড়পুকুর সড়ক, আমেনা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সড়ক, জনতা সড়ক, ম্যালেরিয়া অফিস সড়ক, হাঙ্গরপাড়া সড়ক, বার্মিজ স্কুল সড়ক ও চাউলবাজার সড়কসহ প্রায় সব উপসড়কের ময়লার স্তূপ মানুষকে  যথেষ্ট ভোগাচ্ছে। আবর্জনায় ভরে আছে শহরের দুই শতাধিক ড্রেন ও নালা। এতে বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব।