ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০ থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ০০:৩৯

লকডাউন চলাকালীন সীমিত সময়ে ব্যাংক সীমিত আকারে চালু থাকবে। ব্যাংকের গ্রাহকেরা লেনদেন করতে পারবেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট আড়াই ঘণ্টা। এছাড়া আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করার জন্য ব্যাংক দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। গতকাল রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে সরকারের নির্দেশনা ও সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে।

৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লেনদেন চলাকালে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখাসমূহে জরুরি ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় জনবলের বিন্যাস ও উপস্থিতির বিষয়টি ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় সম্পন্ন করবে। এক্ষেত্রে শাখার নিকটবর্তী স্থানে বসবাসরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতির বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে বলেছে কেন্দ ীয় ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের হিসাবে সর্বপ্রকার জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃশাখা অর্থ স্থানান্তর, এনআরবি বন্ডে এবং বিভিন্ন প্রকার জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেটের মেয়াদপূর্তিতে নগদায়ন ও কুপনের অর্থ পরিশোধ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইউটিলিটি (যথা :গ্যাস/পানি/বিদ্যুত্/টেলিফোন) বিল গ্রহণসহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেনের সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের সান্ধ্যকালীন ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটিকালীন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

এদিকে ব্যাংকের লেনদেনের সময় অল্প হওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, অল্প সময়ে ব্যাংকে বেশি ভিড় হবে। এতে করোনার ঝুঁকি বাড়বে।