আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক জিনিস ব্যবহার করে থাকি। যার মধ্যে কিছু রয়েছে পরিবেশসম্মত, কিছু রয়েছে পরিবেশসম্মত নয়। পরিবেশসম্মত নয়—এর মধ্য প্লাস্টিক অন্যতম। আবার প্লাস্টিক কয়েক ধরনের রয়েছে যার মধ্যে পলিথিন একটি। পলিথিন হলো একরকম সাদা, অস্বচ্ছ ও শক্ত প্লাস্টিক পদার্থ। ১০০০-১২০০ বায়ুচাপে ইথিন গ্যাসকে তরলিভূত করে সামান্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ২০০০ ডিগ্রি উষ্ণতায় উত্তপ্ত করলে ইথেনের অসংখ্য অণু পরপর যুক্ত হয়ে যুতপলিমার পলিথিন গঠিত হয়। যার জন্য পলিথিন সহজে মাটিতে মেশে না। এটা ফেলে দেওয়ার পরে দীর্ঘকাল অপরিবর্তিত থাকে বলে দুই দিকের মাটি না মেশায় জমির উর্বরাশক্তি হ্রাস পেয়ে মাটির গুণ নষ্ট করে। এর কারণে দেশের কৃষি আজ হুমকির মধ্যে রয়েছে। কোনো জমির মাটি গর্ত করলেই আমরা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস দেখতে পাই। যা ফসল কম হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যদিও সরকার প্লাস্টিক ব্যবহারে কিছু বিধিমালা আরোপ করেছে, যা কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের স্বার্থ হাসিল করছে। তারা অল্প টাকা খরচ করে বেশি লাভের আসায় প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য দিয়ে বাজার সয়লাব করছে। যা মোটেও কাম্য নয়। এছাড়া প্লাস্টিক ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা যাতে পরিবেশদূষণ এড়ানো সম্ভব হয়। এ অবস্থায় সরকারের উচিত প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারের ওপর নজরদারি এবং মাঠ পর্যায়ে কমিটি গঠন করে অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতাভুক্ত করা।
মো. নাঈম তালুকদার, শিক্ষর্থী, ঢাকা কলেজ
