গাইবান্ধায় রবিবার বিকালের কালবৈশাখি ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ ও ডালের নিচে চাপা পড়ে আহত আরো দুই নারী সোমবার ভোরে মারা গেছেন। এ নিয়ে ঝড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১২ জনে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় পাঁচ জন, পলাশবাড়ীতে তিন জন, ফুলছড়ি উপজেলায় দুই জন, সুন্দরগঞ্জে এক জন ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এক জন মারা গেল। এদিকে ঝড়ের কবলে পড়ে জেলার সাত উপজেলার মধ্যে ছয় উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৩২৬টি ঘরবাড়ি ও ৮৬৯ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জেলা শহরের আশপাশের এলাকাসহ জেলার গ্রামাঞ্চলগুলোতে বিদ্যুত্ সংযোগ চালু হয়নি। ঝড়ে সর্বশেষ নিহত দুই জন হলেন, সদর উপজেলার চিথুলিয়া চর গ্রামের আমিনুল ইসলামের স্ত্রী বাতাসী বেগম (৩২) ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামপুরা গ্রামের নাজমুল হোসেনের স্ত্রী শারমিন বেগম (২০)।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী জানান, ঝড়ে গাছ চাপায় আহত শারমিন বেগম সোমবার ভোরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। অন্যদিকে জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী জানান, ঝড়ে আহত বাতাসী বেগম সোমবার ভোরে নিজ বাড়িতে মারা যান।
