বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এসংক্রান্ত একটি চিঠি গতকাল সোমবার দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গুলশানে চেয়ারপারসনের দপ্তরে ইস্যু করা হয়েছে। চিঠিটি মারুফ কামাল খানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়া নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি দলের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়েছে। আমি আদিষ্ট হয়ে অব্যাহতিপত্রটি গুলশান অফিসে পাঠিয়েছি। বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ২০১৮ সাল থেকেই মারুফ কামাল খান নিষ্ক্রিয়। তিনি তার কর্মস্থলে যান না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দলীয় সিদ্ধান্ত ও দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার এসব বক্তব্যে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হচ্ছে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। তাকে নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল বিএনপিতে। এ জন্য স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে মারুফ কামাল খান সোহেল বলেন, এতে আমি দুঃখিত নই মোটেও। একটি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। কেউই অপরিহার্য নয়। যোগ্যতর কেউ দায়িত্ব নেবে। আমি সাফল্য কামনা করি। সময়ের দাবিতে আরো যোগ্য, কর্মঠ, সক্রিয় ও বিশ্বস্তকে দায়িত্বে আনার জন্য জায়গা খালি করতেই হবে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে তিনি তার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আর যাননি।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে মারুফ কামাল খান বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিবের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
